চরচা প্রতিবেদক

সাংবাদিক হেনস্তা, কর্মবিরতি চাপিয়ে দেওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে নাগরিক সংগঠন সুজন–সুশাসনের জন্য নাগরিক।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বেসরকারি টেলিভিশন ‘এখন টিভি’–এর চার সাংবাদিককে সংস্কার ও গণভোটের পক্ষে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় কারণ দর্শানো ও সাতদিনের কর্মবিরতিতে পাঠানোর ঘটনাকে উদ্বেগজনক ও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করে।
সংগঠনটি প্রশ্ন তুলেছে–একজন গণমাধ্যমকর্মীর ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ কি প্রতিষ্ঠানের সেন্সরশিপের আওতায় পড়তে পারে? সুজনের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার নামে ব্যক্তির মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ দর্শানোর নোটিশে ‘পোস্ট মুছে ফেলুন, অন্যথায় টিভি এবং সাংবাদিকরা সমস্যায় পড়বেন’ বলা হয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্পষ্ট হস্তক্ষেপ।
সুজন আরো বলে, নিরাপত্তা প্রহরীদেরকে তাদের ছবি দেখিয়ে এখন টিভির কার্যালয়ে প্রবেশাধিকার ঠেকানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্র ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সুজন এখন টিভির মালিক ও সম্পাদকদের কাছে এ সিদ্ধান্তের নীতিগত ভিত্তি স্পষ্ট করার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্রিয় হস্তক্ষেপ কামনা করে সংস্থাটি যাতে চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাদের কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।

সাংবাদিক হেনস্তা, কর্মবিরতি চাপিয়ে দেওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে নাগরিক সংগঠন সুজন–সুশাসনের জন্য নাগরিক।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বেসরকারি টেলিভিশন ‘এখন টিভি’–এর চার সাংবাদিককে সংস্কার ও গণভোটের পক্ষে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় কারণ দর্শানো ও সাতদিনের কর্মবিরতিতে পাঠানোর ঘটনাকে উদ্বেগজনক ও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করে।
সংগঠনটি প্রশ্ন তুলেছে–একজন গণমাধ্যমকর্মীর ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ কি প্রতিষ্ঠানের সেন্সরশিপের আওতায় পড়তে পারে? সুজনের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার নামে ব্যক্তির মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ দর্শানোর নোটিশে ‘পোস্ট মুছে ফেলুন, অন্যথায় টিভি এবং সাংবাদিকরা সমস্যায় পড়বেন’ বলা হয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্পষ্ট হস্তক্ষেপ।
সুজন আরো বলে, নিরাপত্তা প্রহরীদেরকে তাদের ছবি দেখিয়ে এখন টিভির কার্যালয়ে প্রবেশাধিকার ঠেকানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্র ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সুজন এখন টিভির মালিক ও সম্পাদকদের কাছে এ সিদ্ধান্তের নীতিগত ভিত্তি স্পষ্ট করার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্রিয় হস্তক্ষেপ কামনা করে সংস্থাটি যাতে চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাদের কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।