চরচা ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স ফরাসি বিমানবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর ব্যবহৃত একটি ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভাণ্ডারে হামলা চালিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এটি সিরিয়ার কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রাচীন নগরী পালমিরার ঠিক উত্তরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, “ওই স্থাপনাটিতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুত ছিল এবং আমাদের বিমানগুলো বিশেষ প্রযুক্তি নির্দেশিত বোমা ব্যবহার করে স্থাপনাটির একাধিক প্রবেশ টানেলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।”
শনিবার গভীর রাতে চালানো ওই হামলায় বেসামরিক কোনো মানুষের ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং সব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে বলেও জানানো হয়।
২০১৯ সাল পর্যন্ত আইএস সিরিয়া ও ইরাকের কিছু অংশে জিহাদি শাসন কায়েম করেছিল।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, “আমাদের যুক্তরাজ্যের নেতৃত্ব এবং আমাদের মিত্রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে যেকোনো ধরনের পুনরুত্থান এবং তাদের বিপজ্জনক ও সহিংস মতাদর্শ নির্মূল করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সাল থেকে সংগঠনটির যেকোনো সম্ভাব্য পুনরুত্থান ঠেকাতে রয়্যাল এয়ার ফোর্স সিরিয়ার আকাশে টহল চালিয়ে আসছে।
হিলি আরও বলেন, “এই অভিযানে জড়িত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্যকে তাদের পেশাদারিত্ব ও সাহসের জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই। তারা ক্রিসমাস ও নতুন বছর উদযাপনের সময়ও তাদের দায়িত্বপালনে রত। যারা আমাদের জীবনযাত্রাকে হুমকির মুখে ফেলছে, সেই বিপজ্জনক সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার এই অভিযান প্রমাণ করে যে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সারা বছরই প্রস্তুত দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিদেশে যুক্তরাজ্যের দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখতে।”
২০১৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে রয়্যাল এয়ার ফোর্স ড্রোন ও মানবচালিত বিমান ব্যবহার করে আইএস যোদ্ধা ও তাদের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের মতে, সিরিয়া ও ইরাকে এখনও আইএসের প্রায় ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ যোদ্ধা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স ফরাসি বিমানবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর ব্যবহৃত একটি ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভাণ্ডারে হামলা চালিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এটি সিরিয়ার কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রাচীন নগরী পালমিরার ঠিক উত্তরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, “ওই স্থাপনাটিতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুত ছিল এবং আমাদের বিমানগুলো বিশেষ প্রযুক্তি নির্দেশিত বোমা ব্যবহার করে স্থাপনাটির একাধিক প্রবেশ টানেলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।”
শনিবার গভীর রাতে চালানো ওই হামলায় বেসামরিক কোনো মানুষের ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং সব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে বলেও জানানো হয়।
২০১৯ সাল পর্যন্ত আইএস সিরিয়া ও ইরাকের কিছু অংশে জিহাদি শাসন কায়েম করেছিল।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, “আমাদের যুক্তরাজ্যের নেতৃত্ব এবং আমাদের মিত্রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে যেকোনো ধরনের পুনরুত্থান এবং তাদের বিপজ্জনক ও সহিংস মতাদর্শ নির্মূল করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সাল থেকে সংগঠনটির যেকোনো সম্ভাব্য পুনরুত্থান ঠেকাতে রয়্যাল এয়ার ফোর্স সিরিয়ার আকাশে টহল চালিয়ে আসছে।
হিলি আরও বলেন, “এই অভিযানে জড়িত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্যকে তাদের পেশাদারিত্ব ও সাহসের জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই। তারা ক্রিসমাস ও নতুন বছর উদযাপনের সময়ও তাদের দায়িত্বপালনে রত। যারা আমাদের জীবনযাত্রাকে হুমকির মুখে ফেলছে, সেই বিপজ্জনক সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার এই অভিযান প্রমাণ করে যে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সারা বছরই প্রস্তুত দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিদেশে যুক্তরাজ্যের দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখতে।”
২০১৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে রয়্যাল এয়ার ফোর্স ড্রোন ও মানবচালিত বিমান ব্যবহার করে আইএস যোদ্ধা ও তাদের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের মতে, সিরিয়া ও ইরাকে এখনও আইএসের প্রায় ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ যোদ্ধা রয়েছে।