চরচা প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাংকিং কোম্পানি আইনের সাধারণ ধারার বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
আজ মঙ্গলবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
গভর্নর বলেন, “এই ব্যাংকটির সমস্যাগুলো এতটাই জটিল যে তা প্রচলিত আইনের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে, তাই এটি সংস্কার করতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন।” তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, খুব দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইনের বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেবে না।
গভর্নর জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সব ব্যাংক মিলে ১৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকার লিকুইডিটি সাপোর্ট পেয়েছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকার আসার পর ব্যাংকগুলোকে ৫১ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিতে হয়েছে, যার মধ্যে একা ইসলামী ব্যাংককেই দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকা। তিনি এই ব্যাংকটি নিয়ে বাজারে ছড়ানো নানা গুজব বা কাল্পনিক তথ্য বিশ্বাস না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থান নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এবারের নীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে উৎপাদন ও বিনিয়োগের গতি সচল রেখে মূল্যস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা আগের ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬.৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, শিল্প ও উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতেই এই বাস্তবসম্মত সমন্বয় করা হয়েছে।
বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য থাকলেও বাস্তব চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। গত মে মাসে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৪২ শতাংশে (খাদ্য ৯.০৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত ৯.৭১ শতাংশ), যা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় দুই শতাংশ বেশি। মূলত অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদের হার ও আমদানি ব্যয়ের কারণে মে মাস পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৫ শতাংশে নেমে এসেছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১০.৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ব্যাংকিং খাতের প্রধান সমস্যা খেলাপি ঋণ কমাতে ১৮ মাসের একটি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন গভর্নর। এখন থেকে বারবার ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ বন্ধ করে, এককালীন টাকা দিয়ে ব্যবসা থেকে সম্মানজনক বিদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের মধ্যে অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন করে ৬ মাসের মধ্যে বিচার শেষ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকের খারাপ সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ‘অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি’ গঠনের কাজও চলছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাংকিং কোম্পানি আইনের সাধারণ ধারার বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
আজ মঙ্গলবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
গভর্নর বলেন, “এই ব্যাংকটির সমস্যাগুলো এতটাই জটিল যে তা প্রচলিত আইনের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে, তাই এটি সংস্কার করতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন।” তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, খুব দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইনের বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেবে না।
গভর্নর জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সব ব্যাংক মিলে ১৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকার লিকুইডিটি সাপোর্ট পেয়েছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকার আসার পর ব্যাংকগুলোকে ৫১ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিতে হয়েছে, যার মধ্যে একা ইসলামী ব্যাংককেই দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকা। তিনি এই ব্যাংকটি নিয়ে বাজারে ছড়ানো নানা গুজব বা কাল্পনিক তথ্য বিশ্বাস না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থান নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এবারের নীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে উৎপাদন ও বিনিয়োগের গতি সচল রেখে মূল্যস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা আগের ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬.৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান মুদ্রানীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, শিল্প ও উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতেই এই বাস্তবসম্মত সমন্বয় করা হয়েছে।
বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য থাকলেও বাস্তব চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। গত মে মাসে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৪২ শতাংশে (খাদ্য ৯.০৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত ৯.৭১ শতাংশ), যা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় দুই শতাংশ বেশি। মূলত অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদের হার ও আমদানি ব্যয়ের কারণে মে মাস পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৫ শতাংশে নেমে এসেছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১০.৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ব্যাংকিং খাতের প্রধান সমস্যা খেলাপি ঋণ কমাতে ১৮ মাসের একটি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন গভর্নর। এখন থেকে বারবার ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ বন্ধ করে, এককালীন টাকা দিয়ে ব্যবসা থেকে সম্মানজনক বিদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের মধ্যে অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন করে ৬ মাসের মধ্যে বিচার শেষ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকের খারাপ সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ‘অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি’ গঠনের কাজও চলছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।