চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদা এলাকার রোববার একটি বাসার বেজমেন্ট থেকে উদ্ধার করা হয় এক ব্যক্তির সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ। তখন দেহাংশের সঙ্গে মাথা পাওয়া যায়নি। পরে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া মাথা ও দেহের খণ্ডিতাংশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় ও বয়স জানাতে পারেনি পুলিশ।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আব্দুল করিম রোডের একটি ভবনের বেজমেন্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাতখণ্ডে বিভক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তখন দেহের মাথা পাওয়া যায়নি। পরে পাশের ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
জালাল উদ্দিন আরও জানান, দেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোথাও ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি করে এই বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেও জানান জালাল উদ্দিন। তিনি জানান, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর মুগদা এলাকার রোববার একটি বাসার বেজমেন্ট থেকে উদ্ধার করা হয় এক ব্যক্তির সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ। তখন দেহাংশের সঙ্গে মাথা পাওয়া যায়নি। পরে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া মাথা ও দেহের খণ্ডিতাংশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় ও বয়স জানাতে পারেনি পুলিশ।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আব্দুল করিম রোডের একটি ভবনের বেজমেন্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাতখণ্ডে বিভক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তখন দেহের মাথা পাওয়া যায়নি। পরে পাশের ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
জালাল উদ্দিন আরও জানান, দেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোথাও ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি করে এই বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেও জানান জালাল উদ্দিন। তিনি জানান, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।