চরচা ডেস্ক

মহাকাশ গবেষণায় ৫৬ বছর আগের অ্যাপোলো-১৩ মিশনের রেকর্ড ভেঙে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে দূরবর্তী মানব’ হিসেবে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন নাসার আর্টেমিস মিশনের চার নভোচারী। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ওরিয়ন ক্যাপসুলে থাকা এই চার নভোচারী চাঁদের মহাকর্ষীয় বলয়ে প্রবেশ করেছেন।
নাসার তথ্যমতে, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে তারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ৪ হাজার ১০২ মাইল বেশি।
এই যাত্রায় নাসার রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডীয় মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন চাঁদের অন্ধকার বা দূরবর্তী অংশ প্রদক্ষিণ করবেন। যা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না।
যাত্রায় দুপুর ২টা ৩৪ মিনিটে শুরু হওয়া এই ফ্লাইবাই চলাকালীন নভোচারীরা প্রায় ছয় ঘণ্টা অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যাবেন। চাঁদের আড়ালে থাকায় এই সময়ে নাসার ‘ডিপ স্পেস নেটওয়ার্ক’-এর সাথে সাময়িকভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে ওরিয়ন ক্যাপসুল। নভোচারীরা এই সময় চাঁদের দিগন্ত থেকে পৃথিবীর উদয় হওয়ার বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করবেন।
আর্টেমিস-২ হলো নাসার দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অভিযানের প্রথম মানববাহী পরীক্ষামূলক ফ্লাইট। ১০ দিনব্যাপী এই মিশনের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে আবারও চাঁদের পৃষ্ঠে মানুষ নামানো এবং সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করা।
এই চন্দ্রঘাঁটি ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযানের জন্য ‘প্রোভিং গ্রাউন্ড’ বা পরীক্ষামূলক ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে। এই মিশনের সফল সমাপ্তি মহাকাশ জয়ের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে, চীনের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মহাকাশ গবেষণায় ৫৬ বছর আগের অ্যাপোলো-১৩ মিশনের রেকর্ড ভেঙে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে দূরবর্তী মানব’ হিসেবে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন নাসার আর্টেমিস মিশনের চার নভোচারী। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ওরিয়ন ক্যাপসুলে থাকা এই চার নভোচারী চাঁদের মহাকর্ষীয় বলয়ে প্রবেশ করেছেন।
নাসার তথ্যমতে, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে তারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ৪ হাজার ১০২ মাইল বেশি।
এই যাত্রায় নাসার রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডীয় মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন চাঁদের অন্ধকার বা দূরবর্তী অংশ প্রদক্ষিণ করবেন। যা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না।
যাত্রায় দুপুর ২টা ৩৪ মিনিটে শুরু হওয়া এই ফ্লাইবাই চলাকালীন নভোচারীরা প্রায় ছয় ঘণ্টা অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যাবেন। চাঁদের আড়ালে থাকায় এই সময়ে নাসার ‘ডিপ স্পেস নেটওয়ার্ক’-এর সাথে সাময়িকভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে ওরিয়ন ক্যাপসুল। নভোচারীরা এই সময় চাঁদের দিগন্ত থেকে পৃথিবীর উদয় হওয়ার বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করবেন।
আর্টেমিস-২ হলো নাসার দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অভিযানের প্রথম মানববাহী পরীক্ষামূলক ফ্লাইট। ১০ দিনব্যাপী এই মিশনের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে আবারও চাঁদের পৃষ্ঠে মানুষ নামানো এবং সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করা।
এই চন্দ্রঘাঁটি ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযানের জন্য ‘প্রোভিং গ্রাউন্ড’ বা পরীক্ষামূলক ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে। এই মিশনের সফল সমাপ্তি মহাকাশ জয়ের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে, চীনের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।