চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে দ্রুত আয় শেখার ৩ উপায়

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে দ্রুত আয় শেখার ৩ উপায়
নতুন পারমাণবিক শক্তি হতে যাচ্ছে এআই । ছবি: ফ্রিপিক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন শুধু কাজের সহায়ক নয়, শেখারও বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটির নতুন ফিচারগুলো ব্যবহার করে এখন খুব সহজে উচ্চ আয়ের দক্ষতা শেখা সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক লেখক র‍্যাচেল ওয়েলস ফোর্বসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সাল হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বশিক্ষণের যুগ, যেখানে চ্যাটজিপিটি শুধু লেখালেখি বা আইডিয়া জেনারেশনের টুল নয়, বরং এটি হয়ে উঠবে উচ্চ আয়ের দক্ষতা শেখার এক পরিপূর্ণ সহায়ক প্ল্যাটফর্ম।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওপেন এআই-এর নতুন সংযোজনগুলো, যেমন কোরসেরা ইন্টিগ্রেশন, স্টাডি মোড এবং এজেন্টিক এআই ফিচার, ব্যবহারকারীদের দ্রুত পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এখন চ্যাটজিপিটি অ্যাপেই কোরসেরা কোর্স দেখা, শেখার রোডম্যাপ অনুসরণ ও দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব–ওয়েবসাইটে না গিয়েই।

এজেন্টিক এআই ও ফাইল-শেয়ারিং ফিচার চ্যাটজিপিটিকে দিয়েছে বিশ্লেষণ ক্ষমতা, যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভের ফাইল বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট তৈরি, তথ্য সংক্ষিপ্তকরণ বা ট্রেন্ড শনাক্ত করতে পারেন। এটি নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়ানোর অন্যতম কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, স্টাডি মোড ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটি এখন এক ধরনের ভার্চুয়াল টিউটরের মতো কাজ করছে-যা সরাসরি উত্তর না দিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রশ্ন করে চিন্তা করার অভ্যাস তৈরি করে। এতে বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা বাড়ে।

ফোর্বস জানায়, এসব সুবিধা চ্যাটজিপিটিকে সাধারণ টুল থেকে ‘ইন্টেলিজেন্ট লার্নিং অ্যাসিস্ট্যান্ট’-এ রূপান্তর করেছে, যা একসঙ্গে কাজ ও শেখার পরিবেশ তৈরি করছে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা কম সময়ে নেতৃত্ব, কৌশল, যোগাযোগ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আয়ত্ত করতে পারবেন-যা বর্তমান চাকরির বাজারে তাদেরকে শীর্ষ তালিকায় রাখবে।

ফোর্বসের মতে, যারা চ্যাটজিপিটিকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করবেন, তারা শুধু কর্মদক্ষতাই নয়, নিজের ক্যারিয়ার, আয়ের সম্ভাবনা ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানেও বড় পরিবর্তন আনতে পারবেন।

সম্পর্কিত