
ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম
অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

গরমকালে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা, হিট এক্সহসশন ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে শুধু পানি পানই নয়, সঠিক পানীয় নির্বাচনও জরুরি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে ভারতীয় পুষ্টিবিদ মধুরা পি বেহকির পরামর্শ তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। তার মতে, গ্রীষ্মে কিছু জনপ্রিয় পানীয় শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, আবার কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প পানীয় শরীরকে হাইড্রেটেড বা আর্দ্র ও সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মধুরা বলেন, “হাইড্রেশন মানে শুধু পানি বা যেকোনো তরল পান করা নয়, বরং গরমে শরীরের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক পানীয় বেছে নেওয়াও জরুরি।”
যেসব পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত
পুষ্টিবিদ মধুরার মতে, গরমে কিছু পানীয় দেখতে ঠান্ডা ও সতেজ মনে হলেও বাস্তবে সেগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেটেড, অবসন্ন বা ফোলা অনুভব করাতে পারে। তাই এগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
প্যাকেটজাত ফলের জুস
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব জুসে অতিরিক্ত চিনি, ফলের কনসেন্ট্রেট (ফলের রস থেকে জলীয় অংশ অপসারণ করে তৈরি করা একটি ঘন নির্যাস) এবং খুব কম পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফাইবারের অভাবে এগুলো দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়, যার পরেই শক্তি হ্রাস পায়।
আইসড টি
মধুরা বলেন, অনেক আইসড টিতে উচ্চমাত্রার চিনি বা হাই-ফ্রুক্টোজ সিরাপ থাকে। পাশাপাশি এতে ক্যাফেইন থাকতে পারে, যা অতিরিক্ত গ্রহণ করলে হালকা ডাইইউরেটিক প্রভাব ফেলে এবং শরীরের পানির মাত্রা কমাতে পারে।
প্রোটিন শেক
পুষ্টিবিদ মধুরার পরামর্শ, গরমে বিশেষ করে প্যাকেটজাত প্রোটিন শেক ও চিনি সমৃদ্ধ কোমল পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত।
প্যাকেটজাত প্রোটিন শেক সাধারণত হজমে কঠিন। হজমে বেশি সময় লাগলে শরীরে তাপ উৎপন্ন হয়, যা ‘থার্মিক ইফেক্ট অব ফুড’ নামে পরিচিত। ফলে এসব ঘন প্রোটিনসমৃদ্ধ পানীয় পান করলে অবসন্নতা বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কোমল পানীয় (কোল্ড ড্রিংকস)
ফ্লেভারযুক্ত সোডা বা কোমল পানীয়তে উচ্চমাত্রার চিনি থাকে, যা শরীরে ফাঁপাভাব তৈরি করতে পারে। তাই গ্রীষ্মকাল এসব পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ মধুরা।
গ্রীষ্মকালে জনপ্রিয় অনেক পানীয় দেখতে সতেজ মনে হলেও, অতিরিক্ত চিনি বা হজমে ভারী হওয়ার কারণে সেগুলো স্বাস্থ্যকর নয়। তাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও শরীরকে ঠান্ডা রাখে—এমন বিকল্প বেছে নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মধুরা জানান, গরমে হাইড্রেশন নিশ্চিত করতে কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় কার্যকর হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
ডাবের পানি
তাজা কচি ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে এবং প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে। এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও সহায়ক এবং এতে অতিরিক্ত চিনি নেই।
হার্ব-ইনফিউজড পানি
সাধারণ পানির বিকল্প হিসেবে তরমুজ ও পুদিনা পাতা, লেবু ও কমলার টুকরো, কিংবা মৌরি ও তুলসী দিয়ে তৈরি পানি পান করা যেতে পারে। এসব পানীয় শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি হালকা ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে।

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ

মাইক্রোম্যানেজমেন্ট কর্মীদের মনে বার্তা দেয় যে তাদের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না, যা তাদের আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরায়। স্বাধীন চিন্তার সুযোগ না থাকায় কর্মক্ষেত্রে ‘আইডিয়া ভ্যাকিউম’ তৈরি হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কাজের গতি ধীর হয়ে যায়।