
ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম
অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

খাঁটি ঘিয়ের নিজস্ব এক স্বাদ ও ঘ্রাণ থাকে-এটি স্বচ্ছ, সোনালি রঙের এবং বাদামের মতো গন্ধযুক্ত। আসল ঘি ঘন কিন্তু কখনো আঠালো নয়। কেউই স্টার্চ মিশিয়ে ঘন করা ভেজাল ঘি খেতে চাইবে না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ল্যাব টেস্ট ছাড়াই ঘরোয়া তিনটি সহজ পরীক্ষায় আপনি খাঁটি ঘি চিনে নিতে পারেন।
ফ্রিজ টেস্ট
যা লাগবে: একটি চা চামচ, ছোট গ্লাস, ও ফ্রিজ। এক চামচ ঘি গলিয়ে একটি বাটিতে ঢেলে ২০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন।
যদি ঘি সমানভাবে জমে যায়, তবে এটি খাঁটি। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখলে এটি নরম হবে, কিন্তু তেল ছাড়বে না।
যদি জমে গিয়ে দুটি ভিন্ন রঙ দেখা যায় বা কিনারায় তরল বিন্দু থাকে, তবে এতে অন্য তেল বা ভেজাল মেশানো হয়েছে।
গরম করে পরীক্ষা
যা লাগবে: লোহার চামচ, লাইটার, সামান্য আটা।
আধা চামচ ঘি চামচে নিয়ে গরম করুন। খাঁটি ঘি গললে বাদামের মতো গন্ধ ছড়ায়, ফেনা ওঠে এবং হালকা বাদামি রঙের অবশিষ্টাংশ রেখে যায়।
যদি তাড়াতাড়ি ধোঁয়া ওঠে, ছিটকে ওঠে, বা আঠালো স্তর পড়ে থাকে, তবে বুঝবেন এতে অন্য তেল বা ভেজাল মেশানো হয়েছে।
আয়োডিন টেস্ট
যা লাগবে: হাফ চা চামচ ঘি, ২–৩ ফোঁটা টিংচার আয়োডিন, একটি বাটি ও কটন বাড।
ঘি গলিয়ে সামান্য ঠান্ডা করে বাটিতে পাতলা করে ছড়িয়ে দিন। এবার কটন বাডে টিংচার আয়োডিন নিয়ে ঘিয়ের ওপর ফোঁটা দিন।
যদি নীল বা বেগুনি রঙ হয়, তবে এতে স্টার্চ আছে (সেদ্ধ আলু বা মিষ্টি আলু থেকে আসতে পারে)।
রঙ না বদলালে, ঘি খাঁটি।
এই পরীক্ষাগুলো সাধারণ ভেজাল যেমন স্টার্চ বা তেল মেশানো শনাক্ত করতে কার্যকর, তবে সব ধরনের ভেজাল ধরা সম্ভব নয়। আরও নির্ভরযোগ্য ফলের জন্য ল্যাব পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। তবুও, দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য ঘরোয়া এই তিনটি পদ্ধতি আপনার ঘিয়ের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ে যথেষ্ট কার্যকর।

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ

মাইক্রোম্যানেজমেন্ট কর্মীদের মনে বার্তা দেয় যে তাদের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না, যা তাদের আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরায়। স্বাধীন চিন্তার সুযোগ না থাকায় কর্মক্ষেত্রে ‘আইডিয়া ভ্যাকিউম’ তৈরি হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কাজের গতি ধীর হয়ে যায়।