চরচা ডেস্ক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ নামে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এমন একটি বাজেট আমরা উপস্থাপন করতে চেষ্টা করেছি, যাতে করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কিছুটা হলেও যাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে।
আজ সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের অষ্টাদশ দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আজ সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতেই বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তৃতা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যে বাজেট উপস্থাপন করছি, এই বাজেটকে আমি একটি নামকরণ দিতে চাই। সেটি হচ্ছে জীবনবান্ধব বাজেট।”
এবার সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি দাবি করে তারেক রহমান বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় যেসব জিনিস আছে, এরকম ৬১টি পণ্যের ওপর বলা যায় সম্পূর্ণভাবে আগে যা ট্যাক্স ছিল, সেগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা অতীতে খেয়াল করেছি যে বাজেট উপস্থাপনের আগে এবং পরে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়া বেড়ে যেত। তবে আল্লাহর রহমতে এ বছর আমরা সেরকম কোনো দৃশ্য দেখিনি। একটি রাজনৈতিক সরকার হিসেবে আমরা মনে করি, আমাদের জনগণের প্রতি যে দায়িত্ব, তার একটু হলেও আমরা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি; কিছুটা হলেও জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।
সংসদ নেতা বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সংসদের যাত্রা শুরু হওয়ার পর আমরা বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই অতিক্রম করেছি। বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কোথাও ঐকমত্য হয়েছে, কোথাও মতভেদ হয়েছে। কিন্তু তারপরও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা দেশের মানুষের সামনে একটি আশার আলো তুলে ধরতে পেরেছি।
তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন—সবাই যদি সব বিষয়ে একমত হতেন, তাহলে তো একজনের বক্তব্যই যথেষ্ট হতো। কিন্তু গণতন্ত্রে আলোচনা, মতবিনিময় ও ভিন্নমতের প্রয়োজন রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমরা জাতির সামনে আশার একটি পথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অর্জনের কৃতিত্ব শুধু সরকার বা সংসদের নয়, দেশের ২০ কোটি মানুষের। তাদের সহযোগিতার কারণেই সরকার ও বিরোধী পক্ষ একসঙ্গে বসে সুন্দরভাবে আলোচনা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পথ তৈরি করতে পেরেছে।
তারেক রহমান বলেন, ৫ আগস্টের ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে পর্যায়ক্রমে দেশকে একটি গণতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকার সক্ষম হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে সংসদে রাজনৈতিক দল, স্বতন্ত্র কিংবা ইন্ডিপেন্ডেন্ট সদস্য নির্বিশেষে সবাই দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে সভ্য ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে আলোচনা করছেন এবং সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এজন্য তিনি সংসদের সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাজেট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং সংসদের সময়ও অত্যন্ত মূল্যবান। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। অতীতে কী হয়েছে, ভালো-মন্দ কী হয়েছে, সেই বিতর্কে তিনি যেতে চান না। কারণ দেশের মানুষ এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা শুনতে চায়।
তিনি বলেন, সরকারি দল হিসেবে একটি সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে যত ভালো বাজেটই হোক না কেন, সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। বাস্তবতা অনেক কঠিন। তারপরও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে যে বাজেটটি আমরা এখানে উপস্থাপন করেছি, অবশ্যই আমাদের সর্বোচ্চ বুদ্ধি, বিবেক, জ্ঞান দিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করতে, যে বাজেটটি সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কিছুটা হলেও যাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ নামে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এমন একটি বাজেট আমরা উপস্থাপন করতে চেষ্টা করেছি, যাতে করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কিছুটা হলেও যাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে।
আজ সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের অষ্টাদশ দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আজ সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতেই বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তৃতা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যে বাজেট উপস্থাপন করছি, এই বাজেটকে আমি একটি নামকরণ দিতে চাই। সেটি হচ্ছে জীবনবান্ধব বাজেট।”
এবার সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি দাবি করে তারেক রহমান বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় যেসব জিনিস আছে, এরকম ৬১টি পণ্যের ওপর বলা যায় সম্পূর্ণভাবে আগে যা ট্যাক্স ছিল, সেগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা অতীতে খেয়াল করেছি যে বাজেট উপস্থাপনের আগে এবং পরে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়া বেড়ে যেত। তবে আল্লাহর রহমতে এ বছর আমরা সেরকম কোনো দৃশ্য দেখিনি। একটি রাজনৈতিক সরকার হিসেবে আমরা মনে করি, আমাদের জনগণের প্রতি যে দায়িত্ব, তার একটু হলেও আমরা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি; কিছুটা হলেও জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।
সংসদ নেতা বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সংসদের যাত্রা শুরু হওয়ার পর আমরা বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই অতিক্রম করেছি। বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কোথাও ঐকমত্য হয়েছে, কোথাও মতভেদ হয়েছে। কিন্তু তারপরও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা দেশের মানুষের সামনে একটি আশার আলো তুলে ধরতে পেরেছি।
তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন—সবাই যদি সব বিষয়ে একমত হতেন, তাহলে তো একজনের বক্তব্যই যথেষ্ট হতো। কিন্তু গণতন্ত্রে আলোচনা, মতবিনিময় ও ভিন্নমতের প্রয়োজন রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমরা জাতির সামনে আশার একটি পথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অর্জনের কৃতিত্ব শুধু সরকার বা সংসদের নয়, দেশের ২০ কোটি মানুষের। তাদের সহযোগিতার কারণেই সরকার ও বিরোধী পক্ষ একসঙ্গে বসে সুন্দরভাবে আলোচনা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পথ তৈরি করতে পেরেছে।
তারেক রহমান বলেন, ৫ আগস্টের ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে পর্যায়ক্রমে দেশকে একটি গণতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকার সক্ষম হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে সংসদে রাজনৈতিক দল, স্বতন্ত্র কিংবা ইন্ডিপেন্ডেন্ট সদস্য নির্বিশেষে সবাই দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে সভ্য ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে আলোচনা করছেন এবং সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এজন্য তিনি সংসদের সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাজেট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং সংসদের সময়ও অত্যন্ত মূল্যবান। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। অতীতে কী হয়েছে, ভালো-মন্দ কী হয়েছে, সেই বিতর্কে তিনি যেতে চান না। কারণ দেশের মানুষ এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা শুনতে চায়।
তিনি বলেন, সরকারি দল হিসেবে একটি সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী বাজেট উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে যত ভালো বাজেটই হোক না কেন, সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। বাস্তবতা অনেক কঠিন। তারপরও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে যে বাজেটটি আমরা এখানে উপস্থাপন করেছি, অবশ্যই আমাদের সর্বোচ্চ বুদ্ধি, বিবেক, জ্ঞান দিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করতে, যে বাজেটটি সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কিছুটা হলেও যাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে।