চরচা ডেস্ক

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভারতে বিক্ষোভকারীদের ‘চলো সংসদ’ ক্যাম্পেইনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, আজ সোমবার রাজধানী দিল্লির পার্লামেন্ট অভিমুখে রওনা দেওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ বাহিনী এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ বাঁধে।
অন্যদিকে দিল্লির বেশকিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিক্ষোভকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সংগঠনটি জানায়, “আপনারা যদি ভাবেন কেন আমরা মাঠ পর্যায় থেকে আর কোনো আপডেট শেয়ার করতে পারছি না, তার কারণ কাপুরুষ কর্তৃপক্ষ শহরের কিছু অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনারা ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারেন কিন্তু প্রতিবাদকারীদের চোখ ও কান কীভাবে বন্ধ করবেন? তারা ঠিকই দেখবে এবং দিল্লির ভেতরে কী ঘটছে তা বিশ্ববাসীকে জানাবে।”
অন্য একটি পোস্টে সংগঠনটি শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে জানায়, “আমরা দিল্লির বিভিন্ন অংশ থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের খবর পাচ্ছি। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে আপনাদের সব তথ্য জানাতে আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। অনুগ্রহ করে সবাই সবসময় শান্তি বজায় রাখুন।”
দিল্লির পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, এই প্রস্তাবিত পার্লামেন্ট মার্চ ক্যাম্পেইনের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং নয়াদিল্লি জেলাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের তোলা ইন্টারনেট শাটডাউনের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভারতে বিক্ষোভকারীদের ‘চলো সংসদ’ ক্যাম্পেইনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, আজ সোমবার রাজধানী দিল্লির পার্লামেন্ট অভিমুখে রওনা দেওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ বাহিনী এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ বাঁধে।
অন্যদিকে দিল্লির বেশকিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিক্ষোভকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সংগঠনটি জানায়, “আপনারা যদি ভাবেন কেন আমরা মাঠ পর্যায় থেকে আর কোনো আপডেট শেয়ার করতে পারছি না, তার কারণ কাপুরুষ কর্তৃপক্ষ শহরের কিছু অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনারা ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারেন কিন্তু প্রতিবাদকারীদের চোখ ও কান কীভাবে বন্ধ করবেন? তারা ঠিকই দেখবে এবং দিল্লির ভেতরে কী ঘটছে তা বিশ্ববাসীকে জানাবে।”
অন্য একটি পোস্টে সংগঠনটি শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে জানায়, “আমরা দিল্লির বিভিন্ন অংশ থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের খবর পাচ্ছি। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে আপনাদের সব তথ্য জানাতে আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। অনুগ্রহ করে সবাই সবসময় শান্তি বজায় রাখুন।”
দিল্লির পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, এই প্রস্তাবিত পার্লামেন্ট মার্চ ক্যাম্পেইনের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং নয়াদিল্লি জেলাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের তোলা ইন্টারনেট শাটডাউনের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।