চরচা ডেস্ক

ভারতের তৃতীয় জনবহুল রাজ্য বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে এই রাজ্যে জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এনডিএ জোট। ২৪৩ আসনবিশিষ্ট বিধানসভায় এই জোট পেয়েছে ২০২ আসন।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগণনার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে রাতে ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
এ রাজ্যে ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৪০ লাখের বেশি। ফলে দেশটির রাজনীতিতে এই রাজ্যের ভোটের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি সময়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তায় ভাটা শুরু হয়েছে। তবে এই নির্বাচন যেন সেই ভাটা কাটিয়ে জোয়ার এনেছে।
বিহারের নির্বাচনে আঞ্চলিক জনতা দল ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সঙ্গে জোট গঠন করেছে মোদির বিজেপি। জেডিইউ’র নেতৃত্বে আছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি গত ২০ বছরের বেশিরভাগ সময় ধরে বিহার শাসন করেছেন। এ দফার বিজয় টানা পঞ্চমবারের মতো তাকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার সুযোগ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) এর সঙ্গে মহাগাঁটবন্ধন জোটে রয়েছে কংগ্রেস ও ছোট দলগুলো। এই জোটটি এবার উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে।
ফলাফলের প্রকাশের পর এনডিএ জোটকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এক বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘‘এই জয় বিহারে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে এবং আগামী পাঁচ বছরে রাজ্য দ্রুত গতিতে উন্নতি করবে।’’
এ সময় কংগ্রেসের সমালোচনা করে মোদি বলেন, ‘‘দেশের জন্য কংগ্রেসের কোনো ইতিবাচক চিন্তাভাবনা নেই।’’ কংগ্রেসকে জোটের জন্য পরজীবী ও বোঝা বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এই জয়ের পরে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনেও জয়ের আশা করছেন মোদি।
বিহারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে দুই দফায়। গত ৬ নভেম্বর প্রথম দফায় ১২১ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ দফায় ভোট পড়ে ৬৫ শতাংশের বেশি। পরে ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হয় ১২২টি আসনে। এ দফায় ভোট পড়েছিল ৬৮ শতাংশের বেশি। দুই দফা মিলিয়ে প্রায় ৬৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে এই নির্বাচনে।

ভারতের তৃতীয় জনবহুল রাজ্য বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে এই রাজ্যে জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এনডিএ জোট। ২৪৩ আসনবিশিষ্ট বিধানসভায় এই জোট পেয়েছে ২০২ আসন।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগণনার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে রাতে ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
এ রাজ্যে ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৪০ লাখের বেশি। ফলে দেশটির রাজনীতিতে এই রাজ্যের ভোটের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি সময়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তায় ভাটা শুরু হয়েছে। তবে এই নির্বাচন যেন সেই ভাটা কাটিয়ে জোয়ার এনেছে।
বিহারের নির্বাচনে আঞ্চলিক জনতা দল ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সঙ্গে জোট গঠন করেছে মোদির বিজেপি। জেডিইউ’র নেতৃত্বে আছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি গত ২০ বছরের বেশিরভাগ সময় ধরে বিহার শাসন করেছেন। এ দফার বিজয় টানা পঞ্চমবারের মতো তাকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার সুযোগ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) এর সঙ্গে মহাগাঁটবন্ধন জোটে রয়েছে কংগ্রেস ও ছোট দলগুলো। এই জোটটি এবার উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে।
ফলাফলের প্রকাশের পর এনডিএ জোটকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এক বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘‘এই জয় বিহারে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে এবং আগামী পাঁচ বছরে রাজ্য দ্রুত গতিতে উন্নতি করবে।’’
এ সময় কংগ্রেসের সমালোচনা করে মোদি বলেন, ‘‘দেশের জন্য কংগ্রেসের কোনো ইতিবাচক চিন্তাভাবনা নেই।’’ কংগ্রেসকে জোটের জন্য পরজীবী ও বোঝা বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এই জয়ের পরে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনেও জয়ের আশা করছেন মোদি।
বিহারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে দুই দফায়। গত ৬ নভেম্বর প্রথম দফায় ১২১ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ দফায় ভোট পড়ে ৬৫ শতাংশের বেশি। পরে ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হয় ১২২টি আসনে। এ দফায় ভোট পড়েছিল ৬৮ শতাংশের বেশি। দুই দফা মিলিয়ে প্রায় ৬৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে এই নির্বাচনে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।