চরচা প্রতিবেদক

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩৪ কোটি ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১১ জনের সাক্ষ্য হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে অ্যাসিস্টটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ জবানবন্দি দেন।
এরপর কারাগারে থাকা রাশেদুল হকের পক্ষে তার আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ তাকে জেরা শেষ করেন। অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল বেপারী জেরা পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের দিন রেখেছেন আগামী ৯ অগাস্ট।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আরিফ হোসেন জানান, এর আগে মামলাটিতে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। আজ একজন সাক্ষ্য দিলেন। সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিবেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্য শেষ হবে। গত ১৯ জানুয়ারি এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
অন্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি. এর সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না ও মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওইদিন সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক। এরপর গত ২২ জুন ৫ জন ও ৮ জুলাই আরও ৪ জন সাক্ষ্য দেন। এখন পর্যন্ত অভিযোগপত্রের ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে ১৬ অক্টোবর তাহাসিন মুনাবীন হক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩৪ কোটি ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১১ জনের সাক্ষ্য হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে অ্যাসিস্টটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ জবানবন্দি দেন।
এরপর কারাগারে থাকা রাশেদুল হকের পক্ষে তার আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ তাকে জেরা শেষ করেন। অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল বেপারী জেরা পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের দিন রেখেছেন আগামী ৯ অগাস্ট।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আরিফ হোসেন জানান, এর আগে মামলাটিতে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। আজ একজন সাক্ষ্য দিলেন। সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিবেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্য শেষ হবে। গত ১৯ জানুয়ারি এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
অন্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি. এর সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না ও মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওইদিন সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক। এরপর গত ২২ জুন ৫ জন ও ৮ জুলাই আরও ৪ জন সাক্ষ্য দেন। এখন পর্যন্ত অভিযোগপত্রের ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে ১৬ অক্টোবর তাহাসিন মুনাবীন হক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।