চরচা ডেস্ক

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গুলশানের বাসা থেকে তিনি সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান জানিয়ছেন।
সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
শায়রুল কবীর জানান, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন খালেদা জিয়া।
গত বছর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচি হিসেবে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফরের মাধ্যমে খালেদা জিয়া শেষবারের মতো জনসমক্ষে হাজির হয়েছিলেন।
এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খালেদা জিয়া ছাড়াও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ একাধিক শীর্ষ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গুলশানের বাসা থেকে তিনি সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান জানিয়ছেন।
সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
শায়রুল কবীর জানান, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন খালেদা জিয়া।
গত বছর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচি হিসেবে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফরের মাধ্যমে খালেদা জিয়া শেষবারের মতো জনসমক্ষে হাজির হয়েছিলেন।
এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খালেদা জিয়া ছাড়াও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ একাধিক শীর্ষ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।