চরচা ডেস্ক

গত জুলাই মাসে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের পেছনে দলটি এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মী ও তাদের সমর্থক-দুই পক্ষকই দায়ী বলে বিচার বিভাগীয় তদন্তে উঠে এসেছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনসিপির সারাদেশে সমাবেশ যখন গোপালগঞ্জে নাম পরিবর্তন হয়ে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ হয়, সেখান থেকেই সংকট বাড়ে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উসকানি, গুজবসহ দুই পক্ষের অনঢ় অবস্থান এবং মাঠের বাস্তবতার সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় করে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রশাসনের সিদ্ধান্তহীনতার অনিবার্য পরিণতি ছিল গোপালগঞ্জের সংঘাত।
চলতি বছর ১৬ই জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষে গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পর সরকার সাবেক একজন বিচারপতিকে প্রধান করে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করে।
গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষে ওই তদন্ত প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। সরকার এই তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে এখনো প্রকাশ করেনি।
তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে এনসিপির সারাদেশে সমাবেশ যখন গোপালগঞ্জে নাম পরিবর্তন হয়ে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ হয়, সেখান থেকেই সংকট বাড়ে।
তদন্ত কমিশনের সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, “এই যে নাম পরিবর্তন করাটা মনে হয়েছে গোপালগঞ্জবাসীর ভুল বোঝাবুঝি-উসকানি হিসেবে কাজ করেছে। তারই প্রেক্ষিতে প্রোগ্রামের ঠিক আগের দিন এবং ওইদিন সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িতে হামলা, কিংবা ওসির গাড়িতে হামলা ককটেল বিস্ফোরণ। বিভিন্ন জায়গায় এই সবগুলো মনে হচ্ছিল যেন এনসিপির প্রোগ্রামটাকে তারা যেকোনোভাবে প্রতিহত করবে।”
“এই যে করতে দেবে না এবং এনসিপির পক্ষ থেকে করবেই-এই যে বাস্তবতার সঙ্গে এনসিপির চিন্তার দূরত্ব, আর গোপালগঞ্জবাসীর বিশেষ এক ধরনের ট্রাইবালিজম এবং আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের ৫ আগস্ট পরবর্তী সারা দেশের পরিবর্তিত বাস্তবতা মেনে না নেওয়া; এই দুটো বিষয় আসলে কনফ্লিক্টটাকে কিংবা এই যে কার্নেজ যেটা হলো এটাকে একেবারে ইনএভিটেবল (অলঙ্ঘনীয়) করে তুলেছিল।”
তিনি বলেন, এনসিপির সমাবেশে ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ স্লোগান এলাকাবাসীকে এর ভিত্তিতে আরও উসকে দিয়েছিল।

গত জুলাই মাসে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের পেছনে দলটি এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মী ও তাদের সমর্থক-দুই পক্ষকই দায়ী বলে বিচার বিভাগীয় তদন্তে উঠে এসেছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনসিপির সারাদেশে সমাবেশ যখন গোপালগঞ্জে নাম পরিবর্তন হয়ে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ হয়, সেখান থেকেই সংকট বাড়ে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উসকানি, গুজবসহ দুই পক্ষের অনঢ় অবস্থান এবং মাঠের বাস্তবতার সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় করে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রশাসনের সিদ্ধান্তহীনতার অনিবার্য পরিণতি ছিল গোপালগঞ্জের সংঘাত।
চলতি বছর ১৬ই জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষে গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পর সরকার সাবেক একজন বিচারপতিকে প্রধান করে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করে।
গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষে ওই তদন্ত প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। সরকার এই তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে এখনো প্রকাশ করেনি।
তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে এনসিপির সারাদেশে সমাবেশ যখন গোপালগঞ্জে নাম পরিবর্তন হয়ে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ হয়, সেখান থেকেই সংকট বাড়ে।
তদন্ত কমিশনের সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, “এই যে নাম পরিবর্তন করাটা মনে হয়েছে গোপালগঞ্জবাসীর ভুল বোঝাবুঝি-উসকানি হিসেবে কাজ করেছে। তারই প্রেক্ষিতে প্রোগ্রামের ঠিক আগের দিন এবং ওইদিন সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িতে হামলা, কিংবা ওসির গাড়িতে হামলা ককটেল বিস্ফোরণ। বিভিন্ন জায়গায় এই সবগুলো মনে হচ্ছিল যেন এনসিপির প্রোগ্রামটাকে তারা যেকোনোভাবে প্রতিহত করবে।”
“এই যে করতে দেবে না এবং এনসিপির পক্ষ থেকে করবেই-এই যে বাস্তবতার সঙ্গে এনসিপির চিন্তার দূরত্ব, আর গোপালগঞ্জবাসীর বিশেষ এক ধরনের ট্রাইবালিজম এবং আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের ৫ আগস্ট পরবর্তী সারা দেশের পরিবর্তিত বাস্তবতা মেনে না নেওয়া; এই দুটো বিষয় আসলে কনফ্লিক্টটাকে কিংবা এই যে কার্নেজ যেটা হলো এটাকে একেবারে ইনএভিটেবল (অলঙ্ঘনীয়) করে তুলেছিল।”
তিনি বলেন, এনসিপির সমাবেশে ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ স্লোগান এলাকাবাসীকে এর ভিত্তিতে আরও উসকে দিয়েছিল।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।