সিলেট প্রতিনিধি

দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ শফিউল আলম।
আটজন হলেন–প্রকিউরমেন্ট অফিসার আব্দুল মুনিম, সেকশন অফিসার রিঙ্কু দাস, চৌধুরী রুম্মান আহমেদ, লোকমান আহমেদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুরঞ্জিত রঞ্জন তালুকদার, রবিউল আলম বকুল, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রুহুল আমিন। তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান; তবে আদালত আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলায় এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে একইভাবে তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালে, যখন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। পরে দুদক সিলেট কার্যালয় ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল সাবেক উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই, সিন্ডিকেট বা ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই আইন লঙ্ঘন করে উপাচার্য বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন এবং মেয়াদ বহুবার বাড়ান। বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী অ্যাডহক নিয়োগের মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় মাস বাড়ানো যায়, কিন্তু তৎকালীন উপাচার্য একাধিকবার মেয়াদ বাড়িয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইউজিসি অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট থেকে বেআইনিভাবে বেতন–ভাতা প্রদান, বয়সসীমা ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ৪৬ জনকে নিয়োগ, প্রয়োজনীয় ডিগ্রি ছাড়া আরও দুজনকে নিয়োগ এবং কয়েকজনকে অবৈধভাবে পদোন্নতি দেওয়াসহ একাধিক অনিয়মের প্রমাণ তদন্তে উঠে আসে।
দুদক বলছে, মামলার তদন্তের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ শফিউল আলম।
আটজন হলেন–প্রকিউরমেন্ট অফিসার আব্দুল মুনিম, সেকশন অফিসার রিঙ্কু দাস, চৌধুরী রুম্মান আহমেদ, লোকমান আহমেদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুরঞ্জিত রঞ্জন তালুকদার, রবিউল আলম বকুল, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রুহুল আমিন। তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান; তবে আদালত আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলায় এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে একইভাবে তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালে, যখন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। পরে দুদক সিলেট কার্যালয় ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল সাবেক উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই, সিন্ডিকেট বা ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই আইন লঙ্ঘন করে উপাচার্য বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন এবং মেয়াদ বহুবার বাড়ান। বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী অ্যাডহক নিয়োগের মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় মাস বাড়ানো যায়, কিন্তু তৎকালীন উপাচার্য একাধিকবার মেয়াদ বাড়িয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইউজিসি অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট থেকে বেআইনিভাবে বেতন–ভাতা প্রদান, বয়সসীমা ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ৪৬ জনকে নিয়োগ, প্রয়োজনীয় ডিগ্রি ছাড়া আরও দুজনকে নিয়োগ এবং কয়েকজনকে অবৈধভাবে পদোন্নতি দেওয়াসহ একাধিক অনিয়মের প্রমাণ তদন্তে উঠে আসে।
দুদক বলছে, মামলার তদন্তের কাজ অব্যাহত রয়েছে।