চরচা ডেস্ক

উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৫ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির আগে সেটি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সোমবার এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায়।
সংগঠনটি জানায়, গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে সম্প্রতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। এর আগে ১১ অক্টোবর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এক বৈঠকে আইনটির সংশোধনী বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করা হয়।
তারা বলেছে, আইনটির চূড়ান্ত রূপ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। তাই অধ্যাদেশ জারির আগে প্রস্তাবিত আইনটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি।
সংগঠনটি মনে করে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ প্রণীত হওয়ার পরও কমিশন তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা অর্জন করতে পারেনি। আইনের বেশ কিছু দুর্বলতা এবং নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণের কারণে প্রতিষ্ঠানটি অনেক সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা কমেছে এবং মানবাধিকার রক্ষা ব্যাহত হয়েছে।
এইচআরএফবি আশা প্রকাশ করছে, নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কমিশনকে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে। সংগঠনটি জোর দিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জাতিসংঘের প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী কমিশনের কাঠামো, দায়িত্ব ও ক্ষমতা নির্ধারণ করতে হবে।

উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৫ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির আগে সেটি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সোমবার এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায়।
সংগঠনটি জানায়, গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে সম্প্রতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। এর আগে ১১ অক্টোবর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এক বৈঠকে আইনটির সংশোধনী বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করা হয়।
তারা বলেছে, আইনটির চূড়ান্ত রূপ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। তাই অধ্যাদেশ জারির আগে প্রস্তাবিত আইনটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি।
সংগঠনটি মনে করে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ প্রণীত হওয়ার পরও কমিশন তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা অর্জন করতে পারেনি। আইনের বেশ কিছু দুর্বলতা এবং নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণের কারণে প্রতিষ্ঠানটি অনেক সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা কমেছে এবং মানবাধিকার রক্ষা ব্যাহত হয়েছে।
এইচআরএফবি আশা প্রকাশ করছে, নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কমিশনকে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে। সংগঠনটি জোর দিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জাতিসংঘের প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী কমিশনের কাঠামো, দায়িত্ব ও ক্ষমতা নির্ধারণ করতে হবে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।