চরচা ডেস্ক

থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া সীমান্তে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার সীমান্ত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মালয়েশিয়ার মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১০ জন জীবিত এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য কেদাহ এবং পারলিসের মেরিটাইম কর্তৃপক্ষের পরিচালক ফার্স্ট অ্যাডমিরাল রোমলি মুস্তাফা বলেন, “তিন দিন আগে মিয়ানমারের বুথিডং থেকে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি যাত্রা শুরু করেছিল।”
রোমলি মুস্তাফা আরও বলেন, “সাগরে আরও ভুক্তভোগীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বার্নামা কেদাহ পুলিশের প্রধান আদজলি আবু শাহের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, লাঙ্কাউয়ির জলসীমায় উদ্ধার হওয়া জীবিতদের মধ্যে তিনজন মিয়ানমারের নাগরিক, দুইজন রোহিঙ্গা এবং একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহচি একজন রোহিঙ্গা নারীর।
আদজলিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়াগামী এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রথমে একটি বড় জাহাজে উঠেছিল। কিন্তু তারা সীমান্তের কাছাকাছি আসার পরে কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে তিনটি ছোট নৌকায় স্থানান্তরিত হয়। যেখানে প্রতিটি নৌকায় প্রায় ১০০ জন লোক ছিল। তিনি আরও জানান, অন্য দুটি নৌকার অবস্থান জানা যায়নি। তবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া সীমান্তে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার সীমান্ত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মালয়েশিয়ার মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১০ জন জীবিত এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য কেদাহ এবং পারলিসের মেরিটাইম কর্তৃপক্ষের পরিচালক ফার্স্ট অ্যাডমিরাল রোমলি মুস্তাফা বলেন, “তিন দিন আগে মিয়ানমারের বুথিডং থেকে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি যাত্রা শুরু করেছিল।”
রোমলি মুস্তাফা আরও বলেন, “সাগরে আরও ভুক্তভোগীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বার্নামা কেদাহ পুলিশের প্রধান আদজলি আবু শাহের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, লাঙ্কাউয়ির জলসীমায় উদ্ধার হওয়া জীবিতদের মধ্যে তিনজন মিয়ানমারের নাগরিক, দুইজন রোহিঙ্গা এবং একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহচি একজন রোহিঙ্গা নারীর।
আদজলিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়াগামী এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রথমে একটি বড় জাহাজে উঠেছিল। কিন্তু তারা সীমান্তের কাছাকাছি আসার পরে কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে তিনটি ছোট নৌকায় স্থানান্তরিত হয়। যেখানে প্রতিটি নৌকায় প্রায় ১০০ জন লোক ছিল। তিনি আরও জানান, অন্য দুটি নৌকার অবস্থান জানা যায়নি। তবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।