ads

সেনা আইনেই হবে মোজাফফরের বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
সেনা আইনেই হবে মোজাফফরের বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার চাকরিচ্যুত মেজর মোজাফফর হোসেনের বিচার সেনা আইনে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ সোমবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

Advertisement

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বিদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে ১৮ জন সেনা কর্মকর্তার বিচার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়।

এ ঘটনায় বেসামরিক আদালতে কোনো বিচার হয়নি। তবে ওই ঘটনায় চট্টগ্রামের কোতয়ালী থানায় একটি মামলা করেছিল পুলিশ। সেই মামলার ছয় নম্বর আসামি ছিলেন মেজর মোজাফফর। এজাহারে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রপতির কাছেই দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালতের কাছ থেকে ১৭৩ বার সময় নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত ২০০১ সালে ২৪ অক্টোবর সিআইডি মামলার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থতা স্বীকার করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

এর মধ্যে গত ১৫ জুলাই রাতে বনানী ডিওএইচএস থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন বলেন, “একই ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুই আইনে আলাদা আলাদাভাবে ট্রায়াল করা যায় না। এখানে মিলিটারি অ্যাক্ট প্রযোজ্য এবং কো অ্যাকিউসদের বিষয়ে ট্রায়াল হয়েছে, সেটা সেনা আইনে হয়েছে জেনারেল কোর্ট মার্শাল হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, “সে ঘটনার একই ব্যক্তি পলাতক ছিলেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আমরা সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছি। তারা তাদের বিধি মোতাবেক জেনারেল কোর্ট মার্শাল গঠন করে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।”

সিআইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলাটি প্রমাণ করতে না পারার কারণ হিসেবে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সাক্ষী ও প্রমাণের অভাবের কথা লিখেছিলেন, যা গ্রহণ করে আদালত। পরে বাদী আপত্তি না জানালে মামলাটি আর পুনঃতদন্তের জন্য পাঠানো হয়নি।

সম্পর্কিত