চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বকশিবাজারে আলিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে শনিবার রাতে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত চারজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতকাল রাত ১০টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা চলার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আজ রোববার দুপুরে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আশরাফুজ্জামান জানান, সম্মিলিত ছাত্রজোটের ব্যানারে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলেন আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান চলাকালে মাদরাসার ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা বাধা দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।
ওসি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন ইলিয়াস (২১), মহিউদ্দিন (১৮), ওমর (২২) ও মাবিক (২১)।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংঘর্ষের পর মাদরাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ১৭ নভেম্বরের রায় পরবর্তী উচ্ছ্বাস প্রকাশে কিছু শিক্ষার্থী মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করতে চাইলে তিনি তা শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেন।
ওবায়দুল হক বলেন, “মাহফিলের সময় কিছু শিক্ষার্থী অভিযোগ করে যে মাইকের শব্দে পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। তাই আমি আয়োজকদের দ্রুত অনুষ্ঠান শেষ করতে বলি।”
হলে রাজনৈতিক দলের শিক্ষার্থীদের থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে নির্দিষ্ট তথ্য নেই। দোকান থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ সম্পর্কে কেউ তথ্যপ্রমাণ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন অধ্যক্ষ ওবায়দুল হক।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষের ঘটনাটি পুরোপুরি জানার জন্য তদন্ত কমিটি করা হবে এবং দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

রাজধানীর বকশিবাজারে আলিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে শনিবার রাতে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত চারজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতকাল রাত ১০টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা চলার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আজ রোববার দুপুরে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আশরাফুজ্জামান জানান, সম্মিলিত ছাত্রজোটের ব্যানারে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলেন আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান চলাকালে মাদরাসার ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা বাধা দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।
ওসি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন ইলিয়াস (২১), মহিউদ্দিন (১৮), ওমর (২২) ও মাবিক (২১)।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংঘর্ষের পর মাদরাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ১৭ নভেম্বরের রায় পরবর্তী উচ্ছ্বাস প্রকাশে কিছু শিক্ষার্থী মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করতে চাইলে তিনি তা শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেন।
ওবায়দুল হক বলেন, “মাহফিলের সময় কিছু শিক্ষার্থী অভিযোগ করে যে মাইকের শব্দে পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। তাই আমি আয়োজকদের দ্রুত অনুষ্ঠান শেষ করতে বলি।”
হলে রাজনৈতিক দলের শিক্ষার্থীদের থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে নির্দিষ্ট তথ্য নেই। দোকান থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ সম্পর্কে কেউ তথ্যপ্রমাণ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন অধ্যক্ষ ওবায়দুল হক।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষের ঘটনাটি পুরোপুরি জানার জন্য তদন্ত কমিটি করা হবে এবং দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।