সিলেট প্রতিনিধি

নতুন সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালাকে ‘বাস্তবতা বিবর্জিত’ বলে মনে করছে সিলেটের সার ব্যবসায়ীরা।
তারা বলছেন, এই নীতিমালা প্রণয়নে কৃষক প্রতিনিধি কিংবা সার বিপণন সংশ্লিষ্ট কারো ছাড়াই করা হয়েছে।
গত ১৩ নভেম্বর সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ-সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৫ জারি করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার। ২০০৯ সালের নীতিমালা বাতিল করে এটি জারি কর হয়।
নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি ইউনিয়নে সর্বোচ্চ তিনজন ডিলার থাকবে, সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিক্রি যাবে না।
প্রতিটি ডিলারকে নিজ এলাকায় গুদাম ও বিক্রয় কেন্দ্র রাখতে হবে। বিক্রয়, উত্তোলন ও হিসাব ডিজিটালি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতি বিক্রয়কেন্দ্রে সরকারি ভর্তুকি ও মূল্য তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
এছাড়াও নীতিমালায় বলা হয়েছে, একই পরিবারের একাধিক লোক ডিলার হতে পারবে না।
সরকার বলছে, এই নীতিমালা সংশোধনে মূল উদ্দেশ্য, সরকারিভাবে বরাদ্দ সার সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো, কালোবাজারি ও অযাচিত দাম চড়ানো বন্ধ, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট ভাঙা।
সিলেট জেলা ফারটিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ চরচাকে বলেন, “ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের কারও সঙ্গেই পরামর্শ বা মতামত নিয়ে এই নতুন নীতিমালা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, “নীতিমালার আলেকে সার ব্যবস্থাপনা ব্যবাস্তবায়ন অসম্ভব কিংবা বিশৃঙ্খলার একটি কারণ হবে।
সার ব্যবসায়ী সার ছাড়া আর কোন পণ্য রাখতে পারবে না নীতিমালায় উল্লেখ থাকার কথা তুলে ধরে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, “এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ, এমনও প্রত্যন্ত অঞ্চল আছে যেখানে কয়েকটি ইউনিয়ন মিলেও একটি বাজার নেই। সেইসব এলাকায় কৃষক শুধু সার কেনার জন্য বাজারে যাবে না।”
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, “নতুন নীতিমালার লক্ষ্য হলো, দুর্নীতি ও কালোবাজারি কমিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সরল ও স্বচ্ছ করা। যদি বাস্তবায়নে শুদ্ধতা থাকে, তাহলে কৃষকরা সঠিক দামে ও সময়মতো সার পাবে। তবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের পর আসল চিত্র বোঝা যাবে।”
সারের চাহিদা বরাদ্দ সরবরাহ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিলেট জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, “বাজারে সারের সরবরাহে ঘাটতি নেই। চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ বরাদ্দ সরবরাহ হচ্ছে।”
কৃষকরা বলছেন, প্রান্তিক পর্যায়ের অধিকাংশ কৃষকই সার বিপণনের এই নতুন নীতিমালা সম্পর্কে এখনো জানেন না। তারা ন্যায্যমূল্যে সার চান।

নতুন সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালাকে ‘বাস্তবতা বিবর্জিত’ বলে মনে করছে সিলেটের সার ব্যবসায়ীরা।
তারা বলছেন, এই নীতিমালা প্রণয়নে কৃষক প্রতিনিধি কিংবা সার বিপণন সংশ্লিষ্ট কারো ছাড়াই করা হয়েছে।
গত ১৩ নভেম্বর সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ-সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৫ জারি করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার। ২০০৯ সালের নীতিমালা বাতিল করে এটি জারি কর হয়।
নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি ইউনিয়নে সর্বোচ্চ তিনজন ডিলার থাকবে, সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিক্রি যাবে না।
প্রতিটি ডিলারকে নিজ এলাকায় গুদাম ও বিক্রয় কেন্দ্র রাখতে হবে। বিক্রয়, উত্তোলন ও হিসাব ডিজিটালি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতি বিক্রয়কেন্দ্রে সরকারি ভর্তুকি ও মূল্য তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
এছাড়াও নীতিমালায় বলা হয়েছে, একই পরিবারের একাধিক লোক ডিলার হতে পারবে না।
সরকার বলছে, এই নীতিমালা সংশোধনে মূল উদ্দেশ্য, সরকারিভাবে বরাদ্দ সার সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো, কালোবাজারি ও অযাচিত দাম চড়ানো বন্ধ, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট ভাঙা।
সিলেট জেলা ফারটিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ চরচাকে বলেন, “ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের কারও সঙ্গেই পরামর্শ বা মতামত নিয়ে এই নতুন নীতিমালা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, “নীতিমালার আলেকে সার ব্যবস্থাপনা ব্যবাস্তবায়ন অসম্ভব কিংবা বিশৃঙ্খলার একটি কারণ হবে।
সার ব্যবসায়ী সার ছাড়া আর কোন পণ্য রাখতে পারবে না নীতিমালায় উল্লেখ থাকার কথা তুলে ধরে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, “এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ, এমনও প্রত্যন্ত অঞ্চল আছে যেখানে কয়েকটি ইউনিয়ন মিলেও একটি বাজার নেই। সেইসব এলাকায় কৃষক শুধু সার কেনার জন্য বাজারে যাবে না।”
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, “নতুন নীতিমালার লক্ষ্য হলো, দুর্নীতি ও কালোবাজারি কমিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সরল ও স্বচ্ছ করা। যদি বাস্তবায়নে শুদ্ধতা থাকে, তাহলে কৃষকরা সঠিক দামে ও সময়মতো সার পাবে। তবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের পর আসল চিত্র বোঝা যাবে।”
সারের চাহিদা বরাদ্দ সরবরাহ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিলেট জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, “বাজারে সারের সরবরাহে ঘাটতি নেই। চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ বরাদ্দ সরবরাহ হচ্ছে।”
কৃষকরা বলছেন, প্রান্তিক পর্যায়ের অধিকাংশ কৃষকই সার বিপণনের এই নতুন নীতিমালা সম্পর্কে এখনো জানেন না। তারা ন্যায্যমূল্যে সার চান।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।