চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়কালীন অর্থাৎ চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনকে নির্বাচন আয়োজন না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গতকাল সোমবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কার্যক্রমকে যেকোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার লক্ষ্যে দেশের সকল পেশাজীবি সংগঠনের নির্বাচন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকারের নির্বাচন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নির্বাচন, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন, বণিক সমিতির নির্বাচন, সমবায় সমিতির নির্বাচন, ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচনসহ সকল সংগঠনের নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর অনুষ্ঠান করার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।’’
উল্লিখিত সিদ্ধান্ত অনুসারে সকল রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়কালীন অর্থাৎ চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনকে নির্বাচন আয়োজন না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গতকাল সোমবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কার্যক্রমকে যেকোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার লক্ষ্যে দেশের সকল পেশাজীবি সংগঠনের নির্বাচন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকারের নির্বাচন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির নির্বাচন, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন, বণিক সমিতির নির্বাচন, সমবায় সমিতির নির্বাচন, ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচনসহ সকল সংগঠনের নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর অনুষ্ঠান করার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।’’
উল্লিখিত সিদ্ধান্ত অনুসারে সকল রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।