চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য নিয়ে অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস অ্যাসিস্টেন্টসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডি সদর দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার।
আবুল বাশার তালুকদার জানান, গ্রেপ্তার হাবীবুল্লাহ ২০০৮ সালে অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে যোগদান করেন। ২০১৩ সাল থেকে ঢাকার নির্বাচন কমিশন অফিসে কর্মরত ছিলেন। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে মুন্সীগঞ্জের উপজেলা নির্বাচন অফিসে বদলি হন।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার মো. আলামিন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (আউটসোর্সিং) হিসেবে হাবীবুল্লাহর সঙ্গে ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অফিস কাজ করেছেন। আলামিন ২০১৬ সাল থেকে ঢাকা অফিসে ডাটা এন্ট্রি ও এ সম্বন্ধীয় বিষয়ে কাজ করতেন এবং তার কাছে যে গোপনীয় আইডি ও পাসওয়ার্ড ছিল সেটি ছিল সারা বাংলাদেশের এক্সেস সম্বলিত। এই আইডি দিয়ে সহজেই সারা বাংলাদেশের সমস্ত এনআইডি সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হতো। হাবীবুল্লাহর কাছে যে আইডি ও পাসওয়ার্ড ছিল, তা দিয়ে কেবল মাত্র উপজেলা নির্বাচন অফিস গজারিয়ার অন্তর্ভুক্ত নাগরিকদের তথ্য যাচাই সম্ভব ছিল।
আবুল বাশার তালুকদার আরও জানান, আলামিন পূর্ব পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতার সূত্রে হাবীবুল্লাহকে ওই গোপনীয় আইডি ও পাসওয়ার্ড দেয়। বিনিময়ে হাবীবুল্লাহ প্রতি সপ্তাহে আলামিনকে ৪-৫ হাজার করে টাকা ঘুষ দিত। অপরদিকে হাবীবুল্লাহ ওই গোপনীয় আইডি-পাসওয়ার্ড পেয়ে অর্থের বিনিময়ে এনআইডির সংবেদনশীল তথ্য ২০০-৩০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করত।
ডিআইজি আবুল বাশার তালুকদার আরও জানান, ঢাকার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একটি অনুসন্ধানে দেখা গেছে মাত্র এক সপ্তাহে এক লাখ ১২ হাজার ১৫০টি এবং ৩০ দিনে তিন লাখ ৬৫ হাজার ৬০৮টি এনআইডির তথ্য দেখা হয়েছে। প্রতিটি এনআইডির তথ্য দেওয়ার বিপরীতে ৩০০ টাকা বিনিময় মূল্য হিসাব করলে অবৈধভাবে প্রায় ১১ কোটি হাতিয়ে নিয়েছে হাবীবুল্লাহ।
সিআইডি জানায়, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।
গত বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে নিবাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আলামিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আলামিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাবীবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়।

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য নিয়ে অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস অ্যাসিস্টেন্টসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডি সদর দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার।
আবুল বাশার তালুকদার জানান, গ্রেপ্তার হাবীবুল্লাহ ২০০৮ সালে অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে যোগদান করেন। ২০১৩ সাল থেকে ঢাকার নির্বাচন কমিশন অফিসে কর্মরত ছিলেন। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে মুন্সীগঞ্জের উপজেলা নির্বাচন অফিসে বদলি হন।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার মো. আলামিন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (আউটসোর্সিং) হিসেবে হাবীবুল্লাহর সঙ্গে ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অফিস কাজ করেছেন। আলামিন ২০১৬ সাল থেকে ঢাকা অফিসে ডাটা এন্ট্রি ও এ সম্বন্ধীয় বিষয়ে কাজ করতেন এবং তার কাছে যে গোপনীয় আইডি ও পাসওয়ার্ড ছিল সেটি ছিল সারা বাংলাদেশের এক্সেস সম্বলিত। এই আইডি দিয়ে সহজেই সারা বাংলাদেশের সমস্ত এনআইডি সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হতো। হাবীবুল্লাহর কাছে যে আইডি ও পাসওয়ার্ড ছিল, তা দিয়ে কেবল মাত্র উপজেলা নির্বাচন অফিস গজারিয়ার অন্তর্ভুক্ত নাগরিকদের তথ্য যাচাই সম্ভব ছিল।
আবুল বাশার তালুকদার আরও জানান, আলামিন পূর্ব পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতার সূত্রে হাবীবুল্লাহকে ওই গোপনীয় আইডি ও পাসওয়ার্ড দেয়। বিনিময়ে হাবীবুল্লাহ প্রতি সপ্তাহে আলামিনকে ৪-৫ হাজার করে টাকা ঘুষ দিত। অপরদিকে হাবীবুল্লাহ ওই গোপনীয় আইডি-পাসওয়ার্ড পেয়ে অর্থের বিনিময়ে এনআইডির সংবেদনশীল তথ্য ২০০-৩০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করত।
ডিআইজি আবুল বাশার তালুকদার আরও জানান, ঢাকার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একটি অনুসন্ধানে দেখা গেছে মাত্র এক সপ্তাহে এক লাখ ১২ হাজার ১৫০টি এবং ৩০ দিনে তিন লাখ ৬৫ হাজার ৬০৮টি এনআইডির তথ্য দেখা হয়েছে। প্রতিটি এনআইডির তথ্য দেওয়ার বিপরীতে ৩০০ টাকা বিনিময় মূল্য হিসাব করলে অবৈধভাবে প্রায় ১১ কোটি হাতিয়ে নিয়েছে হাবীবুল্লাহ।
সিআইডি জানায়, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।
গত বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে নিবাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আলামিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আলামিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাবীবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।