চরচা ডেস্ক

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বিয়ে শেষে কনেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বর-কনেসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-টেংগনামারী সড়কের শাল্টিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকার জিকরুল ইসলামের সাত মাস বয়সী ছেলে জীবন ইসলাম এবং একই এলাকার মোজা মিয়ার ছেলে রিয়াদ ইসলাম (১৮)। রিয়াদ চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার কচুকাটা বন্দরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোরছালিনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ে শেষে বরযাত্রীরা কনেকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। মাইক্রোবাসে মোট ১৪ জন আরোহী ছিলেন।
রাত ৩টার দিকে শাল্টিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বর-কনেসহ মাইক্রোবাসের সব আরোহী আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ১২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন দেব বলেন, রাতে ১৪ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার পর দুইজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। আহত ১২ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুইজনের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বিয়ে শেষে কনেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বর-কনেসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-টেংগনামারী সড়কের শাল্টিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকার জিকরুল ইসলামের সাত মাস বয়সী ছেলে জীবন ইসলাম এবং একই এলাকার মোজা মিয়ার ছেলে রিয়াদ ইসলাম (১৮)। রিয়াদ চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার কচুকাটা বন্দরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোরছালিনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ে শেষে বরযাত্রীরা কনেকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। মাইক্রোবাসে মোট ১৪ জন আরোহী ছিলেন।
রাত ৩টার দিকে শাল্টিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বর-কনেসহ মাইক্রোবাসের সব আরোহী আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ১২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন দেব বলেন, রাতে ১৪ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার পর দুইজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। আহত ১২ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুইজনের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জনগণের সঙ্গে আর কত ধোঁকাবাজি করবেন? প্রয়োজনে নতুন বাংলাদেশ গড়ব। জুলাই আন্দোলনে মানুষ জীবন দিয়েছে, কিন্তু মাথা নত করেনি। জনগণ যখন প্রকৃত ফ্যাসিবাদকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তখন ডামি ফ্যাসিবাদকেও প্রত্যাখ্যান করবে।”