চরচা ডেস্ক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে ৩৫টি তাজা ককটেল এবং ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ডিএমপি বিশেষ এই অভিযান পরিচালনা করেন।
মোহাম্মদপুর থানা সূত্র জানায়, জেনেভা ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে সন্দেহজনক গতিবিধির তথ্য পাওয়ার পরই পুলিশের একটি টিম সেখানে যায়। ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫টি তাজা ককটেল এবং ককটেল তৈরির নানা সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
ঘটনার পরপরই ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে।
পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলো কোথায় এবং কারা ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পৃথক অভিযান চলছে।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান পিপিএম।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে ৩৫টি তাজা ককটেল এবং ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ডিএমপি বিশেষ এই অভিযান পরিচালনা করেন।
মোহাম্মদপুর থানা সূত্র জানায়, জেনেভা ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে সন্দেহজনক গতিবিধির তথ্য পাওয়ার পরই পুলিশের একটি টিম সেখানে যায়। ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫টি তাজা ককটেল এবং ককটেল তৈরির নানা সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
ঘটনার পরপরই ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে।
পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলো কোথায় এবং কারা ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পৃথক অভিযান চলছে।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান পিপিএম।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।