চরচা ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরির শহর এলিস স্প্রিংসে ৫ বছরের এক আদিবাসী শিশুকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশ ও জরুরি সেবা কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স পুলিশের বরাতে জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার সেখানে দাঙ্গা শুরু হয়।
এর আগে, গত শনিবার নিজের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। কয়েকদিন অনুসন্ধানের পর গত বৃহস্পতিবার ঝোপঝাড়ের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ এই ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে জেফারসন লুইস নামে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে। এ ঘটনার আগেও শারীরিক লাঞ্ছনার অপরাধে জেল খাটার রেকর্ড রয়েছে জেফারসনের।
নর্দান টেরিটরির পুলিশ কমিশনার মার্টিন ডোল জানান, অভিযুক্ত জেফারসন লুইস গত বৃহস্পতিবার একটি আদিবাসী ক্যাম্পে উপস্থিত হলে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। গুরুতর আহত ও অচেতন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে প্রায় ৪০০ মানুষের এক বিশাল জনতা ভিড় করে।
মার্টিন ডোল আরও জানান, বিক্ষোভকারীরা আদিবাসী সমাজের শারীরিক শাস্তি বা ‘পে-ব্যাক’-এর দাবি জানায়। এক পর্যায়ে তারা পুলিশ ও চিকিৎসকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করতে বাধ্য হয়।
বিষয়টি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেন, “আমি মানুষের রাগ ও হতাশার বিষয়টি বুঝতে পারি। কিন্তু কমিউনিটির সকলকে অনুরোধ করব, একসঙ্গে এগিয়ে আসুন।”
অন্যদিকে, স্থানীয় আদিবাসী নেতা রবিন গ্রানিটস সবাইকে শান্ত থাকার এবং আইনকে নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “এই ব্যক্তি ধরা পড়েছে, এখন আমাদের উচিত বিচার প্রক্রিয়াকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিরো সাজা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সময় নয়।”
উত্তেজনা এড়াতে এবং অভিযুক্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লুইসকে শুক্রবার ভোরে ডারউইন শহরের একটি হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলিস স্প্রিংসে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং মদ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরির শহর এলিস স্প্রিংসে ৫ বছরের এক আদিবাসী শিশুকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশ ও জরুরি সেবা কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স পুলিশের বরাতে জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার সেখানে দাঙ্গা শুরু হয়।
এর আগে, গত শনিবার নিজের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। কয়েকদিন অনুসন্ধানের পর গত বৃহস্পতিবার ঝোপঝাড়ের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ এই ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে জেফারসন লুইস নামে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে। এ ঘটনার আগেও শারীরিক লাঞ্ছনার অপরাধে জেল খাটার রেকর্ড রয়েছে জেফারসনের।
নর্দান টেরিটরির পুলিশ কমিশনার মার্টিন ডোল জানান, অভিযুক্ত জেফারসন লুইস গত বৃহস্পতিবার একটি আদিবাসী ক্যাম্পে উপস্থিত হলে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। গুরুতর আহত ও অচেতন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে প্রায় ৪০০ মানুষের এক বিশাল জনতা ভিড় করে।
মার্টিন ডোল আরও জানান, বিক্ষোভকারীরা আদিবাসী সমাজের শারীরিক শাস্তি বা ‘পে-ব্যাক’-এর দাবি জানায়। এক পর্যায়ে তারা পুলিশ ও চিকিৎসকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করতে বাধ্য হয়।
বিষয়টি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেন, “আমি মানুষের রাগ ও হতাশার বিষয়টি বুঝতে পারি। কিন্তু কমিউনিটির সকলকে অনুরোধ করব, একসঙ্গে এগিয়ে আসুন।”
অন্যদিকে, স্থানীয় আদিবাসী নেতা রবিন গ্রানিটস সবাইকে শান্ত থাকার এবং আইনকে নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “এই ব্যক্তি ধরা পড়েছে, এখন আমাদের উচিত বিচার প্রক্রিয়াকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিরো সাজা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সময় নয়।”
উত্তেজনা এড়াতে এবং অভিযুক্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লুইসকে শুক্রবার ভোরে ডারউইন শহরের একটি হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলিস স্প্রিংসে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং মদ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।