চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় বাবার সামনে থেকে দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার লামিন ইসলামের (১৯) এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক ফরিদউজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ডের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে বলেন, ‘‘মেয়েটা ১২ বছরের, অবুঝ কিছুই বুঝে না। তাকে জোর করে আসামি সংঘবদ্ধভাবে নিয়ে যায়।’’
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শহীদুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। তিনি বলেন, মামলাটি চাঞ্চল্যকর। ঘটনার আড়ালেও কিছু ঘটনা থাকে। অভিযোগে অপহরণ করেছে বলেছে। কিন্তু বাস্তবে মেয়েটাই স্বেচ্ছায় ছেলেটার সাথে দৌড়ে গেছে। যা ভিডিওতে দেখা গেছে। এটা একটা প্রেমের সম্পর্ক। এজন্যই গত জানুয়ারির ২৫ মাসে ভুক্তভোগী এই ছেলেটার সাথে চলে গেছিল। সে আসামিকে কল দেয় যার রেকর্ড রয়েছে।
শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, এটা আরেকটা মিন্নীর মতো ঘটনা।
বাদিপক্ষের আইনজীবী শাহ মো. শরীফুল ইসলাম রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যায় আসামি। ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
রিমান্ড আবেদন অনুযায়ী, এটি একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও পরিকল্পিত ঘটনা। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং ব্যবহৃত যানবাহন শনাক্ত করতে আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ এপ্রিল উত্তরা গার্লস স্কুলের পরীক্ষা শেষে মেয়েকে (১৪) নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন তার বাবা। বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর রোডের মোড়ে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ৭ থেকে ৮ জন অজ্ঞাতনামা অপহরণকারী তাদের গতিরোধ করে। এসময় অপহরণকারীরা শিক্ষার্থীর বাবাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার সামনে থেকেই মেয়েকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে তুলে নেয়। পরে দুটি মোটরসাইকেলের পাহারায় অপহরণকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে গত ১ মে গাজীপুরের পুবাইল থানার কফু মার্কেট এলাকা থেকে প্রধান আসামি লামিন ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় আসামির হেফাজত থেকে অপহৃত শিক্ষার্থীকেও উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর উত্তরায় বাবার সামনে থেকে দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার লামিন ইসলামের (১৯) এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক ফরিদউজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ডের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে বলেন, ‘‘মেয়েটা ১২ বছরের, অবুঝ কিছুই বুঝে না। তাকে জোর করে আসামি সংঘবদ্ধভাবে নিয়ে যায়।’’
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শহীদুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। তিনি বলেন, মামলাটি চাঞ্চল্যকর। ঘটনার আড়ালেও কিছু ঘটনা থাকে। অভিযোগে অপহরণ করেছে বলেছে। কিন্তু বাস্তবে মেয়েটাই স্বেচ্ছায় ছেলেটার সাথে দৌড়ে গেছে। যা ভিডিওতে দেখা গেছে। এটা একটা প্রেমের সম্পর্ক। এজন্যই গত জানুয়ারির ২৫ মাসে ভুক্তভোগী এই ছেলেটার সাথে চলে গেছিল। সে আসামিকে কল দেয় যার রেকর্ড রয়েছে।
শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, এটা আরেকটা মিন্নীর মতো ঘটনা।
বাদিপক্ষের আইনজীবী শাহ মো. শরীফুল ইসলাম রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যায় আসামি। ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
রিমান্ড আবেদন অনুযায়ী, এটি একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও পরিকল্পিত ঘটনা। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং ব্যবহৃত যানবাহন শনাক্ত করতে আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ এপ্রিল উত্তরা গার্লস স্কুলের পরীক্ষা শেষে মেয়েকে (১৪) নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন তার বাবা। বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর রোডের মোড়ে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ৭ থেকে ৮ জন অজ্ঞাতনামা অপহরণকারী তাদের গতিরোধ করে। এসময় অপহরণকারীরা শিক্ষার্থীর বাবাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার সামনে থেকেই মেয়েকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে তুলে নেয়। পরে দুটি মোটরসাইকেলের পাহারায় অপহরণকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে গত ১ মে গাজীপুরের পুবাইল থানার কফু মার্কেট এলাকা থেকে প্রধান আসামি লামিন ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় আসামির হেফাজত থেকে অপহৃত শিক্ষার্থীকেও উদ্ধার করা হয়।