চরচা প্রতিবেদক

একই ফ্ল্যাট চারজনের কাছে বিক্রি করে প্রায় ৫৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। প্রতিবারই একই গল্প–টাকার জরুরি দরকার বলে মালিক মর্টগেজ থাকা ফ্ল্যাটটি বিক্রি করছেন। আগাম টাকা দিলে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে–এটাই ছিল তাদের টোপ।
ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় একই ফ্ল্যাট একাধিকবার বিক্রির এমন অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সিআইডি বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, “চক্রটি বহুদিন ধরে হাজারীবাগের ষড়কুঞ্জ আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাট বারবার বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল। তারা প্রথমে ফ্ল্যাট কেনার প্রলোভন দেখায়। কিন্তু দাবি করে ফ্ল্যাটটি মর্টগেজ রয়েছে। মালিকের টাকার দরকার, অগ্রিম টাকা দিলে দ্রুত রেজিস্ট্রি করে দেবে এমন প্রলোভন দেখানো হয়। এভাবে ধাপে ধাপে টাকা নেওয়ার পর সময়ক্ষেপণ ও নতুন অজুহাত তৈরি করাই ছিল তাদের কৌশল।”
চক্রটি আগস্ট মাসে বায়না–নামার মাধ্যমে ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেয়। ঘটনার পরে হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের হলে সিআইডি তদন্তের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
সিআইডি আরও জানায়, একই ফ্ল্যাট দেখিয়ে অন্যদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে চক্রটি। এর মধ্যে মো. শাহাদাৎ হোসেনের ১২ লাখ টাকা, মো. মাহবুবুর রহমানের ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও নান্নু মিয়া ইমনের ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেয় চক্রটি। গত ২৮ আগস্ট একই ফ্ল্যাট ২৬ লাখ ২৫ হাজার টাকায় রওশন আরা নামে এক নারীর কাছে রেজিস্ট্রিও করে দেয় তারা।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

একই ফ্ল্যাট চারজনের কাছে বিক্রি করে প্রায় ৫৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। প্রতিবারই একই গল্প–টাকার জরুরি দরকার বলে মালিক মর্টগেজ থাকা ফ্ল্যাটটি বিক্রি করছেন। আগাম টাকা দিলে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে–এটাই ছিল তাদের টোপ।
ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় একই ফ্ল্যাট একাধিকবার বিক্রির এমন অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সিআইডি বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, “চক্রটি বহুদিন ধরে হাজারীবাগের ষড়কুঞ্জ আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাট বারবার বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল। তারা প্রথমে ফ্ল্যাট কেনার প্রলোভন দেখায়। কিন্তু দাবি করে ফ্ল্যাটটি মর্টগেজ রয়েছে। মালিকের টাকার দরকার, অগ্রিম টাকা দিলে দ্রুত রেজিস্ট্রি করে দেবে এমন প্রলোভন দেখানো হয়। এভাবে ধাপে ধাপে টাকা নেওয়ার পর সময়ক্ষেপণ ও নতুন অজুহাত তৈরি করাই ছিল তাদের কৌশল।”
চক্রটি আগস্ট মাসে বায়না–নামার মাধ্যমে ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেয়। ঘটনার পরে হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের হলে সিআইডি তদন্তের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
সিআইডি আরও জানায়, একই ফ্ল্যাট দেখিয়ে অন্যদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে চক্রটি। এর মধ্যে মো. শাহাদাৎ হোসেনের ১২ লাখ টাকা, মো. মাহবুবুর রহমানের ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও নান্নু মিয়া ইমনের ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেয় চক্রটি। গত ২৮ আগস্ট একই ফ্ল্যাট ২৬ লাখ ২৫ হাজার টাকায় রওশন আরা নামে এক নারীর কাছে রেজিস্ট্রিও করে দেয় তারা।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।