চরচা ডেস্ক

বিশ্বের শক্তিশালী বিমান শক্তির র্যাঙ্কিংয়ে চীনকে টপকে গেল ভারত। ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফট (ডব্লিউডিডিএমএ) র্যাঙ্কিংয়ের বরাত দিয়ে মার্কিন সাময়িকী নিউজউইকের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই তালিকায় আমেরিকা এখনো শীর্ষে রয়েছে, তার পরেই রাশিয়া। ভারতের এই উত্থান এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যে এক নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বিমান শক্তি হিসেবে বিবেচিত চীন এখন সপ্তম স্থানে নেমে এসেছে। ভারতের অবস্থান ষষ্ঠ। এ তালিকায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবস্থান ৮৩। পাকিস্তানের অবস্থান ১৮।
সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফট (ডব্লিউডিডিএমএ) র্যাঙ্কিংয়ে ১০৩টি দেশ এবং ১২৯টি বাহিনী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যার মধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও মেরিন অ্যাভিয়েশন শাখাগুলো অন্তর্ভুক্ত।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
বিমান শক্তি এখনো বৈশ্বিক সামরিক কৌশলের একটি নির্ধারক উপাদান। যুক্তরাষ্ট্র এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে রয়েছে। তার বিমান শক্তি রাশিয়া, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের যৌথ বহরেরও বেশি। এই আধিপত্যের পেছনে রয়েছে বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা।
একই সময়ে, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো দ্রুত তাদের বিমান শক্তি আধুনিকায়ন করছে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা জেইনসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যয় ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২.৫৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈশ্বিক সংঘাতের তীব্রতা ও কৌশলগত পুনর্গঠনের প্রতিফলন, যা আধুনিক যুদ্ধে বিমান শক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে।
ভারতের বিমান বাহিনী এখন বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে, যার ট্রুভাল র্যাটিং (টিভিআর) ৬৯.৪। বাংলাদেশের টিভিআর র্যাটিং ১৪.১। আর পাকিস্তানের টিভিআর র্যাটিং ৪৬.৩।
এই রেটিং শুধুমাত্র কয়টি এয়ারক্র্যাফ্ট আছে, তার ওপর নির্ভর করে না। আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা, লজিস্টিক সহায়তা, আধুনিকীকরণ এবং অপারেশনাল প্রশিক্ষণের মতো বিষয়গুলো মূল্যায়ন করে এই রেটিং দেওয়া হয়।
ভারতের ১ হাজার ৭১৬টি বিমান নিয়ে গঠিত বিমান বাহিনীর গঠন তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। তাদের কাছে ৩১.৬ শতাংশ যুদ্ধবিমান, ২৯ শতাংশ হেলিকপ্টার এবং ২১.৮ শতাংশ প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান রয়েছে।
ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, জটিল ভূ-রাজনৈতিক কারণে ভারত এই দুই দেশ সামরিক সরঞ্জাম কেনে। ভারতের বিমান বাহিনীর কার্যকর সক্ষমতা বিশেষভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল অপারেশন সিঁদুরের সময়। গত মে মাসে পাকিস্তানক লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি নিখুঁত বিমান হামলা চালায় ভারত।
জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগেম সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

বিশ্বের শক্তিশালী বিমান শক্তির র্যাঙ্কিংয়ে চীনকে টপকে গেল ভারত। ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফট (ডব্লিউডিডিএমএ) র্যাঙ্কিংয়ের বরাত দিয়ে মার্কিন সাময়িকী নিউজউইকের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই তালিকায় আমেরিকা এখনো শীর্ষে রয়েছে, তার পরেই রাশিয়া। ভারতের এই উত্থান এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যে এক নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বিমান শক্তি হিসেবে বিবেচিত চীন এখন সপ্তম স্থানে নেমে এসেছে। ভারতের অবস্থান ষষ্ঠ। এ তালিকায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবস্থান ৮৩। পাকিস্তানের অবস্থান ১৮।
সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্রাফট (ডব্লিউডিডিএমএ) র্যাঙ্কিংয়ে ১০৩টি দেশ এবং ১২৯টি বাহিনী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যার মধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও মেরিন অ্যাভিয়েশন শাখাগুলো অন্তর্ভুক্ত।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
বিমান শক্তি এখনো বৈশ্বিক সামরিক কৌশলের একটি নির্ধারক উপাদান। যুক্তরাষ্ট্র এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে রয়েছে। তার বিমান শক্তি রাশিয়া, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের যৌথ বহরেরও বেশি। এই আধিপত্যের পেছনে রয়েছে বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা।
একই সময়ে, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো দ্রুত তাদের বিমান শক্তি আধুনিকায়ন করছে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা জেইনসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যয় ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২.৫৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈশ্বিক সংঘাতের তীব্রতা ও কৌশলগত পুনর্গঠনের প্রতিফলন, যা আধুনিক যুদ্ধে বিমান শক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে।
ভারতের বিমান বাহিনী এখন বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে, যার ট্রুভাল র্যাটিং (টিভিআর) ৬৯.৪। বাংলাদেশের টিভিআর র্যাটিং ১৪.১। আর পাকিস্তানের টিভিআর র্যাটিং ৪৬.৩।
এই রেটিং শুধুমাত্র কয়টি এয়ারক্র্যাফ্ট আছে, তার ওপর নির্ভর করে না। আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা, লজিস্টিক সহায়তা, আধুনিকীকরণ এবং অপারেশনাল প্রশিক্ষণের মতো বিষয়গুলো মূল্যায়ন করে এই রেটিং দেওয়া হয়।
ভারতের ১ হাজার ৭১৬টি বিমান নিয়ে গঠিত বিমান বাহিনীর গঠন তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। তাদের কাছে ৩১.৬ শতাংশ যুদ্ধবিমান, ২৯ শতাংশ হেলিকপ্টার এবং ২১.৮ শতাংশ প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান রয়েছে।
ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, জটিল ভূ-রাজনৈতিক কারণে ভারত এই দুই দেশ সামরিক সরঞ্জাম কেনে। ভারতের বিমান বাহিনীর কার্যকর সক্ষমতা বিশেষভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল অপারেশন সিঁদুরের সময়। গত মে মাসে পাকিস্তানক লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি নিখুঁত বিমান হামলা চালায় ভারত।
জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগেম সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।