চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা ও দিগন্ত উন্মোচনে ঐক্যমত পোষণ করেছে উভয় দেশ। আজ সোমবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে এ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামীণ যোগাযোগ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা, গবেষণা এবং সরাসরি বিনিয়োগ প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাই এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ অঞ্চলের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘসময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশেষ করে কৃষি, জ্বালানি ও সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা ভবিষ্যতে আরও বেগবান হবে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা ও দিগন্ত উন্মোচনে ঐক্যমত পোষণ করেছে উভয় দেশ। আজ সোমবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে এ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামীণ যোগাযোগ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা, গবেষণা এবং সরাসরি বিনিয়োগ প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাই এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ অঞ্চলের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘসময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশেষ করে কৃষি, জ্বালানি ও সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা ভবিষ্যতে আরও বেগবান হবে।