চরচা ডেস্ক

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. নাজমুল করিম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
মাস দুয়েক আগে প্রতিদিন অফিস যাওয়ার সময় ঢাকা-গাজীপুর সড়ক নিজের যাতায়াতের জন্য রাস্তা বন্ধ রাখতেন। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়তেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। পরে গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে জিএমপি কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী ‘জনস্বার্থে’ তাকে বরখাস্ত করা হলো।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছিলেন, ঘটনাটির জন্য নাজমুল করিম খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।
আজকের সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়ারই অংশ।
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাতা পাবেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. নাজমুল করিম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
মাস দুয়েক আগে প্রতিদিন অফিস যাওয়ার সময় ঢাকা-গাজীপুর সড়ক নিজের যাতায়াতের জন্য রাস্তা বন্ধ রাখতেন। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়তেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। পরে গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে জিএমপি কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী ‘জনস্বার্থে’ তাকে বরখাস্ত করা হলো।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছিলেন, ঘটনাটির জন্য নাজমুল করিম খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।
আজকের সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়ারই অংশ।
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাতা পাবেন।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।