চরচা ডেস্ক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা ও আইএমএফ এর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রিজার্ভ বাড়াতে আরও ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এ নিয়ে চলতি মে মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই মোট ডলার সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০ মিলিয়ন ডলারে। আর ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এখন পর্যন্ত মোট ক্রয়ের পরিমাণ ৫,৭৫৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, আজ প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৭৫ টাকা ‘কাট-অফ রেট’-এ কেনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দর বর্তমান আন্তঃব্যাংক বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ডলার কেনার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে স্থানীয় মুদ্রার (টাকা) সরবরাহ বৃদ্ধি করে মূলত তারল্য ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকা এবং বিলাসদ্রব্য আমদানিতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় বাজারে ডলারের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সংকটের সময় বাজার সামাল দিতে গত দুই বছর ডলার বিক্রি করলেও, বর্তমানে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় রিজার্ভ শক্তিশালী করার কৌশল নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফ প্রোগ্রামের শর্ত মেনে নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ একটি টেকসই অবস্থানে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
অর্থনীতিবিদরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বাজারে ডলারের তাৎক্ষণিক অস্থিরতা কমে আসা এবং নিয়মিত ডলার কেনা ইঙ্গিত দেয় যে, মুদ্রাবাজার এখন অনেকটা ভারসাম্যপূর্ণ। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই স্বস্তি ধরে রাখতে হলে রপ্তানি আয় সরাসরি দেশে আনা নিশ্চিত করতে হবে এবং হুন্ডি বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।
বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের চাপ কমার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রিজার্ভ পুনর্গঠন এবং বিনিময় হার ব্যবস্থাপনায় একটি কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা ও আইএমএফ এর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রিজার্ভ বাড়াতে আরও ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এ নিয়ে চলতি মে মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই মোট ডলার সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০ মিলিয়ন ডলারে। আর ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এখন পর্যন্ত মোট ক্রয়ের পরিমাণ ৫,৭৫৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, আজ প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৭৫ টাকা ‘কাট-অফ রেট’-এ কেনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দর বর্তমান আন্তঃব্যাংক বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ডলার কেনার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে স্থানীয় মুদ্রার (টাকা) সরবরাহ বৃদ্ধি করে মূলত তারল্য ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকা এবং বিলাসদ্রব্য আমদানিতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় বাজারে ডলারের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সংকটের সময় বাজার সামাল দিতে গত দুই বছর ডলার বিক্রি করলেও, বর্তমানে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় রিজার্ভ শক্তিশালী করার কৌশল নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফ প্রোগ্রামের শর্ত মেনে নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ একটি টেকসই অবস্থানে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
অর্থনীতিবিদরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বাজারে ডলারের তাৎক্ষণিক অস্থিরতা কমে আসা এবং নিয়মিত ডলার কেনা ইঙ্গিত দেয় যে, মুদ্রাবাজার এখন অনেকটা ভারসাম্যপূর্ণ। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই স্বস্তি ধরে রাখতে হলে রপ্তানি আয় সরাসরি দেশে আনা নিশ্চিত করতে হবে এবং হুন্ডি বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।
বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের চাপ কমার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রিজার্ভ পুনর্গঠন এবং বিনিময় হার ব্যবস্থাপনায় একটি কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।