চরচা প্রতিবেদক

তফসিলভুক্ত প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা কলি’ প্রতীক যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে ‘শাপলা’ প্রতীক নিয়ে চার মাস ৯ দিন ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে টানাপোড়েন চলছিল সংস্থাটির।
এনসিপির চাপে তফসিলে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “শাপলা আর শাপলা কলির ভেতরে পার্থক্য আছে। এটাও আমার মনে হয় ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে না।”
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে আখতার আহমেদ এসব কথা বলেন।
কোনো দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রতীক যুক্ত করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “এখন আপনি যেটা বলছেন যে শাপলা কলি রাখা হয়েছে কেন? নতুন যে প্রতীকগুলোর ভিতরে আসছে, সেখানে শাপলা কলি রাখা হয়েছে। এটা ইলেকশন কমিশন মনে করেছে যে শাপলা কলিটা রাখা যেতে পারে। এটা কারো দাবির প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়।”
তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার তফসিলটা সংশোধন করেছি। কিছু কিছু প্রতীক নিয়ে কিছু মন্তব্য আমরা শুনেছি। যেমন কেউ বলেছে, এটা রাখলে কেন, না রাখলে ভালো হতো, রাখা যৌক্তিক হয়েছে কি না ইত্যাদি। এই বিবেচনায়, আগে যে ১১৫টা প্রতীক ছিল, তার থেকে আমরা ১৬টা প্রতীক বাদ দিয়ে নতুন করে প্রতীক নিয়ে ১১৯টা প্রতীক এবার শিডিউল করেছি।”
গত ২২ জুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করে শাপলা প্রতীক চেয়েছিল এনসিপি। তবে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয় দলটিকে এ প্রতীক না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, “আমি আগেই বলেছি। কিছু কিছু প্রতীক সম্পর্কে বিরূপ মতামত আমাদের কানে এসেছে। কমিশন মনে করেছে, এটা সংশোধন করা দরকার বা করা যেতে পারে। সেই বিবেচনায় এটা করা হয়েছে। যেহেতু বিরূপ কিছু সমালোচনা এসেছিল, সেইজন্য কিছু বাদ দিয়ে কিছু নতুন যোগ করা হয়েছে। কিছু বিয়োজন, কিছু সংযোজন। আজ যেমন করা হয়েছে, ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আবার সংশোধন করবে। এটা কোন স্থির আইন নয়। তর্ক-বিতর্ক উঠলেই কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”
“কেউ যদি বলে কমিশন চাপে পড়ে এটা করেছে-না, কমিশন নিজের বিবেচনায় করেছে। এখানে নতুন করে বিতর্কের কিছু দেখছি না। বরং কমিশন আবার প্রমাণ করল যে কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।”

তফসিলভুক্ত প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা কলি’ প্রতীক যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে ‘শাপলা’ প্রতীক নিয়ে চার মাস ৯ দিন ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে টানাপোড়েন চলছিল সংস্থাটির।
এনসিপির চাপে তফসিলে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “শাপলা আর শাপলা কলির ভেতরে পার্থক্য আছে। এটাও আমার মনে হয় ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে না।”
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে আখতার আহমেদ এসব কথা বলেন।
কোনো দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রতীক যুক্ত করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “এখন আপনি যেটা বলছেন যে শাপলা কলি রাখা হয়েছে কেন? নতুন যে প্রতীকগুলোর ভিতরে আসছে, সেখানে শাপলা কলি রাখা হয়েছে। এটা ইলেকশন কমিশন মনে করেছে যে শাপলা কলিটা রাখা যেতে পারে। এটা কারো দাবির প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়।”
তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার তফসিলটা সংশোধন করেছি। কিছু কিছু প্রতীক নিয়ে কিছু মন্তব্য আমরা শুনেছি। যেমন কেউ বলেছে, এটা রাখলে কেন, না রাখলে ভালো হতো, রাখা যৌক্তিক হয়েছে কি না ইত্যাদি। এই বিবেচনায়, আগে যে ১১৫টা প্রতীক ছিল, তার থেকে আমরা ১৬টা প্রতীক বাদ দিয়ে নতুন করে প্রতীক নিয়ে ১১৯টা প্রতীক এবার শিডিউল করেছি।”
গত ২২ জুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করে শাপলা প্রতীক চেয়েছিল এনসিপি। তবে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয় দলটিকে এ প্রতীক না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, “আমি আগেই বলেছি। কিছু কিছু প্রতীক সম্পর্কে বিরূপ মতামত আমাদের কানে এসেছে। কমিশন মনে করেছে, এটা সংশোধন করা দরকার বা করা যেতে পারে। সেই বিবেচনায় এটা করা হয়েছে। যেহেতু বিরূপ কিছু সমালোচনা এসেছিল, সেইজন্য কিছু বাদ দিয়ে কিছু নতুন যোগ করা হয়েছে। কিছু বিয়োজন, কিছু সংযোজন। আজ যেমন করা হয়েছে, ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আবার সংশোধন করবে। এটা কোন স্থির আইন নয়। তর্ক-বিতর্ক উঠলেই কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”
“কেউ যদি বলে কমিশন চাপে পড়ে এটা করেছে-না, কমিশন নিজের বিবেচনায় করেছে। এখানে নতুন করে বিতর্কের কিছু দেখছি না। বরং কমিশন আবার প্রমাণ করল যে কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।