চরচা ডেস্ক

২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ সাবেক যুবলীগ নেতা একরামুল হক নিহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
আজ রোববার সকালে ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন একরামুল হক। তিনি টেকনাফ পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
একরামুলের পরিবার শুরু থেকেই এই অভিযানকে সাজানো দাবি করে আসছে। তার স্ত্রী আয়েশা বেগমের অভিযোগ, তার স্বামীকে কোনো প্রকৃত বন্দুকযুদ্ধে নয়, বরং পরিকল্পনাকরে ‘ঠান্ডা মাথায়’ হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে ২০১৮ সালের ৩১ মে কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন আয়েশা বেগম। তখন তিনি ঘটনার সময় মোবাইলে ধারণকৃত কয়েকটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেন, যা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। অডিও রেকর্ডে বন্দুকের ট্রিগার টানার শব্দ, গুলির শব্দ এবং এক ব্যক্তির আকুতি ও আর্তনাদ শুনতে পাওয়া যায়। ওই অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচালিত অভিযানের সরকারি বয়ান নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।

২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ সাবেক যুবলীগ নেতা একরামুল হক নিহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
আজ রোববার সকালে ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন একরামুল হক। তিনি টেকনাফ পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
একরামুলের পরিবার শুরু থেকেই এই অভিযানকে সাজানো দাবি করে আসছে। তার স্ত্রী আয়েশা বেগমের অভিযোগ, তার স্বামীকে কোনো প্রকৃত বন্দুকযুদ্ধে নয়, বরং পরিকল্পনাকরে ‘ঠান্ডা মাথায়’ হত্যা করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে ২০১৮ সালের ৩১ মে কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন আয়েশা বেগম। তখন তিনি ঘটনার সময় মোবাইলে ধারণকৃত কয়েকটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেন, যা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। অডিও রেকর্ডে বন্দুকের ট্রিগার টানার শব্দ, গুলির শব্দ এবং এক ব্যক্তির আকুতি ও আর্তনাদ শুনতে পাওয়া যায়। ওই অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচালিত অভিযানের সরকারি বয়ান নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।