চরচা ডেস্ক

টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন,মো. ইমরান, মো. ফাহিম, আসাদুজ্জামান রাব্বি।
সিআইডির তদন্তে জানানো হয়, এই চক্রটি টেলিগ্রামে বিভিন্ন ‘বিদেশি বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম’ নামে ভুয়া গ্রুপ খুলে সাধারণ মানুষকে অল্প সময়ে অধিক মুনাফার লোভ দেখাত। গ্রুপগুলোতে চক্রের নিজস্ব সদস্যরা আগে থেকেই যুক্ত থেকে ভুয়া লাভের স্ক্রিনশট ও পোস্ট দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করত। এতে লোভে পড়ে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা জমা দিত।
তদন্তে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত ফাহিমের ব্যাংক একাউন্টটি নিয়ন্ত্রণ করত ইমরান । এই একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে । বিনিময়ে ইমরান ফাহিমকে মাসিক কিস্তিতে কমিশন দেওয়া হত। এছাড়া ইমরানের মোবাইলে নিষিদ্ধ ‘বাইন্যান্স’ একাউন্ট ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, গ্রেপ্তারকৃত আসাদুজ্জামান রাব্বি এই চক্রের অন্যতম সদস্য সাগরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু । সাগরের অনুপস্থিতিতে সে ভুয়া টেলিগ্রাম আইডি ব্যবহার করে গ্রুপের কার্যক্রম পরিচালনা করত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।
চক্রের মূলহোতা ফারদিন আহমেদ অবৈধভাবে অর্জিত টাকা বিভিন্ন শোরুম থেকে ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে গাড়ি কিনে তা দ্রুত কম দামে বিক্রি করে দিতেন । এভাবে কাগজে-কলমে ব্যবসায়িক লোকসান দেখিয়ে তিনি অবৈধ অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করতেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্ব বিভাগ মামলার তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন,মো. ইমরান, মো. ফাহিম, আসাদুজ্জামান রাব্বি।
সিআইডির তদন্তে জানানো হয়, এই চক্রটি টেলিগ্রামে বিভিন্ন ‘বিদেশি বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম’ নামে ভুয়া গ্রুপ খুলে সাধারণ মানুষকে অল্প সময়ে অধিক মুনাফার লোভ দেখাত। গ্রুপগুলোতে চক্রের নিজস্ব সদস্যরা আগে থেকেই যুক্ত থেকে ভুয়া লাভের স্ক্রিনশট ও পোস্ট দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করত। এতে লোভে পড়ে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা জমা দিত।
তদন্তে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত ফাহিমের ব্যাংক একাউন্টটি নিয়ন্ত্রণ করত ইমরান । এই একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে । বিনিময়ে ইমরান ফাহিমকে মাসিক কিস্তিতে কমিশন দেওয়া হত। এছাড়া ইমরানের মোবাইলে নিষিদ্ধ ‘বাইন্যান্স’ একাউন্ট ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, গ্রেপ্তারকৃত আসাদুজ্জামান রাব্বি এই চক্রের অন্যতম সদস্য সাগরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু । সাগরের অনুপস্থিতিতে সে ভুয়া টেলিগ্রাম আইডি ব্যবহার করে গ্রুপের কার্যক্রম পরিচালনা করত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।
চক্রের মূলহোতা ফারদিন আহমেদ অবৈধভাবে অর্জিত টাকা বিভিন্ন শোরুম থেকে ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে গাড়ি কিনে তা দ্রুত কম দামে বিক্রি করে দিতেন । এভাবে কাগজে-কলমে ব্যবসায়িক লোকসান দেখিয়ে তিনি অবৈধ অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করতেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্ব বিভাগ মামলার তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।