চরচা প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান পুর্নবিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের প্রথম দিনে তিনি এ আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে সুলতান মহিউদ্দিন বলেন, “রাজনৈতিক দলের একটা শর্ত নির্বাচন অফিসে আছে, সেটা হচ্ছে ৩৩ ভাগ মহিলা সদস্য বাধ্যতামূলক। আমরা আগেও দাবি জানিয়েছি আজকেও দাবি জানাচ্ছি, এটা বিশেষ করে ইসলামী দলগুলোর জন্য কঠিন হয়ে যায়। ৩৩ শতাংশ মহিলা সদস্য কমিটিতে রাখা এই বিষয়টি আপনারা বিবেচনা রাখবেন।”
সংলাপে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, “আমি তো মনে করি জাতীয় নির্বাচনই দেওয়া উচিত না যদি ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি না হয়। না হলে আবার সেই জুলুমের নির্বাচন হবে, আবার ব্যালট পেপার ছিনতাইয়েত নির্বাচন হবে, আবার কেন্দ্র দখলের নির্বাচন হবে।”
“আগে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই যাচাই করতে হবে যে দেশে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কি না। আমি কিন্তু নির্বাচন পিছাতে চাই না। অনুরোধ থাকবে যে ভোটের পরিবেশটা আগে নিশ্চিত করা।”
প্রথম অধিবেশনে সংলাপে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট জুবাইদা কাদের চোধুরী, জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ বাবু, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদেক হক্কানী, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান রোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সুলতান মহিউদ্দিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য নেয়ামুল বসির, চৌধুরী হাসান বীর বিক্রম, আরংজেব বেলাল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রব ইউসুফী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়ব আহমদ, মতিউর রহমান গাজীপুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হোসেন, মহাসচিব মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, মহাসচিব আনিসুর রহমান দেওয়ান, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল হাই মন্ডল অংশ নেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান পুর্নবিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের প্রথম দিনে তিনি এ আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে সুলতান মহিউদ্দিন বলেন, “রাজনৈতিক দলের একটা শর্ত নির্বাচন অফিসে আছে, সেটা হচ্ছে ৩৩ ভাগ মহিলা সদস্য বাধ্যতামূলক। আমরা আগেও দাবি জানিয়েছি আজকেও দাবি জানাচ্ছি, এটা বিশেষ করে ইসলামী দলগুলোর জন্য কঠিন হয়ে যায়। ৩৩ শতাংশ মহিলা সদস্য কমিটিতে রাখা এই বিষয়টি আপনারা বিবেচনা রাখবেন।”
সংলাপে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, “আমি তো মনে করি জাতীয় নির্বাচনই দেওয়া উচিত না যদি ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি না হয়। না হলে আবার সেই জুলুমের নির্বাচন হবে, আবার ব্যালট পেপার ছিনতাইয়েত নির্বাচন হবে, আবার কেন্দ্র দখলের নির্বাচন হবে।”
“আগে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই যাচাই করতে হবে যে দেশে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কি না। আমি কিন্তু নির্বাচন পিছাতে চাই না। অনুরোধ থাকবে যে ভোটের পরিবেশটা আগে নিশ্চিত করা।”
প্রথম অধিবেশনে সংলাপে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট জুবাইদা কাদের চোধুরী, জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ বাবু, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদেক হক্কানী, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান রোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সুলতান মহিউদ্দিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য নেয়ামুল বসির, চৌধুরী হাসান বীর বিক্রম, আরংজেব বেলাল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রব ইউসুফী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়ব আহমদ, মতিউর রহমান গাজীপুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হোসেন, মহাসচিব মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, মহাসচিব আনিসুর রহমান দেওয়ান, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল হাই মন্ডল অংশ নেন।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।