চরচা প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার মূল আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দুটি ভিডিও বার্তা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এ-ফোর বসুন্ধরা পেপার ক্র্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।
হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অসামি ফয়সালের ভিডিও বার্তার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএমপি কমিশনার তাৎক্ষণিক কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “হাদির বিষয়ে যে প্রশ্ন করা হয়েছে নো-কমেন্ট। ভিডিওটা আমরা পাইছি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতেছি। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে বক্তব্য দেব।”
সম্প্রতি ফয়সালের দুটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। তাতে তিনি দাবি করেছেন, হাদি হত্যাার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ডিআরইউ’র ওই অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে ব্যাপক রদ-বদল এবং সেই রদ-বদল লটারির মাধ্যমে হয়েছে। এখানে ভোলার তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জকে নিয়ে এসে গুলশানের ওসি করলে সে পারে না। সে তখন বিল্ডিং-এর কয় তালা সেটা গুনে। মেয়েটা মোজা পরছে নাকি তার চামড়াই এরকম এইটা দেখে। সো এইরুপ অবস্থার ভিতরে মফস্বল থেকে একজন অফিসার নিয়ে এসে থানায় অফিসার ইনচার্জ করলে, মোহাম্মদপুরের দিলে মাথা ঘুরে তার এ কোথায় আসলাম।”
সাজ্জাত আলী বলেন, “তারপরেও আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে মফস্বল থেকে আনলে আপনাদেরই অসুবিধা হবে। ঢাকার অফিসার ইনচার্জ যারা ছিল কিছু বাদ দিয়ে তাদের ভিতরেই লটারি করে আমি অফিসার ইনচার্জ করেছি। সেক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে যে সবুজবাগ থানায় যে ছিল সে তার ভাগ্যে যদি মোহাম্মদপুর পড়ে থাকে সবুজবাগের অফিসার হিসেবে যে ধরনের কন্ট্রোল ক্যাপাসিটি থাকা দরকার সেটা দিয়ে মোহাম্মদপুরে চলে না। তাই এই অসুবিধার ভিতরেও আমার অফিসাররা কাজ করে যাচ্ছে।”
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, “আগামী ৪০ দিন যদি আমরা আইনশৃঙ্খলা এবং অন্যান্য বিষয় যদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি তাহলে নির্বাচনটা সুষ্ঠভাবে করা সম্ভব হবে। আমাদের কাছে এখন টপ প্রায়রিটি জাতীয় নির্বাচন। জানুয়ারি মাসের ২১ বা ২২ তারিখের থেকে সম্ভবত ক্যাম্পেইন শুরু হবে। তখনই সবচেয়ে বড় জটিলতা হওয়ার কথা। একপক্ষ আরেক পক্ষে দোষারোপ এটা সেটা অভিযোগ আসবে।”
নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “নির্বাচন উপলক্ষে বর্তমান প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে বলব-আমরা দিছি, অনেকেই চাচ্ছে। আমাদের সক্ষমতার দিকে তাকাতে হচ্ছে।”

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার মূল আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দুটি ভিডিও বার্তা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এ-ফোর বসুন্ধরা পেপার ক্র্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।
হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অসামি ফয়সালের ভিডিও বার্তার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএমপি কমিশনার তাৎক্ষণিক কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “হাদির বিষয়ে যে প্রশ্ন করা হয়েছে নো-কমেন্ট। ভিডিওটা আমরা পাইছি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতেছি। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে বক্তব্য দেব।”
সম্প্রতি ফয়সালের দুটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। তাতে তিনি দাবি করেছেন, হাদি হত্যাার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ডিআরইউ’র ওই অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে ব্যাপক রদ-বদল এবং সেই রদ-বদল লটারির মাধ্যমে হয়েছে। এখানে ভোলার তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জকে নিয়ে এসে গুলশানের ওসি করলে সে পারে না। সে তখন বিল্ডিং-এর কয় তালা সেটা গুনে। মেয়েটা মোজা পরছে নাকি তার চামড়াই এরকম এইটা দেখে। সো এইরুপ অবস্থার ভিতরে মফস্বল থেকে একজন অফিসার নিয়ে এসে থানায় অফিসার ইনচার্জ করলে, মোহাম্মদপুরের দিলে মাথা ঘুরে তার এ কোথায় আসলাম।”
সাজ্জাত আলী বলেন, “তারপরেও আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে মফস্বল থেকে আনলে আপনাদেরই অসুবিধা হবে। ঢাকার অফিসার ইনচার্জ যারা ছিল কিছু বাদ দিয়ে তাদের ভিতরেই লটারি করে আমি অফিসার ইনচার্জ করেছি। সেক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে যে সবুজবাগ থানায় যে ছিল সে তার ভাগ্যে যদি মোহাম্মদপুর পড়ে থাকে সবুজবাগের অফিসার হিসেবে যে ধরনের কন্ট্রোল ক্যাপাসিটি থাকা দরকার সেটা দিয়ে মোহাম্মদপুরে চলে না। তাই এই অসুবিধার ভিতরেও আমার অফিসাররা কাজ করে যাচ্ছে।”
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, “আগামী ৪০ দিন যদি আমরা আইনশৃঙ্খলা এবং অন্যান্য বিষয় যদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি তাহলে নির্বাচনটা সুষ্ঠভাবে করা সম্ভব হবে। আমাদের কাছে এখন টপ প্রায়রিটি জাতীয় নির্বাচন। জানুয়ারি মাসের ২১ বা ২২ তারিখের থেকে সম্ভবত ক্যাম্পেইন শুরু হবে। তখনই সবচেয়ে বড় জটিলতা হওয়ার কথা। একপক্ষ আরেক পক্ষে দোষারোপ এটা সেটা অভিযোগ আসবে।”
নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “নির্বাচন উপলক্ষে বর্তমান প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে বলব-আমরা দিছি, অনেকেই চাচ্ছে। আমাদের সক্ষমতার দিকে তাকাতে হচ্ছে।”