চরচা ডেস্ক

সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিএমডি (#TMD) হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশে অসংখ্য ফেসবুক ব্যবহারকারী এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট দিচ্ছেন। ফ্যাক্টচেক, অনুসন্ধান ও গবেষণা প্লাটফর্ম ডিসমিসল্যাবের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
ডিসমিসল্যাব বলছে, গত ২২ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি সহিংসতা ও হত্যার উসকানি ও সরাসরি বিদ্বেষ ছড়ানো অন্তত ৩৯টি পোস্ট পেয়েছে তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ৩৯টি পোস্ট সুস্পষ্টভাবে বিদ্বেষমূলক। এর বাইরে আরও প্রায় ১৭৮টি পোস্ট পাওয়া গেছে, যেগুলোতে টিএমডি লেখাসহ সাংকেতিক ভাষায় বা দ্ব্যর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বার্তা ছড়ানো হয়েছে। সংগ্রহ করা প্রতিটি পোস্টই সেই এক সপ্তাহ সময়ের মধ্যে ছড়িয়েছে।
ডিসমিসল্যাব বলছে, সাতটি পোস্টে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ইঙ্গিত করে তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই ‘টিএমডি করে’ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ এই দাবির সঙ্গে মালাউন মুক্ত দেশ গড়ার কথা বলেছেন।
একজনের বক্তব্য সরাসরি উদ্ধৃত করেছে ডিসমিসল্যাব।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন সরাসরি বলেছেন, “পাথর নিক্ষেপ করে মারতে হবে মালুদের এটাই শাস্তি,”; “ভারতে যদি মুসলমান মাইরা ফেলায়, আমরা এই দেশের হিন্দু মাইরা ফেলামু। একটাও বাঁচতে দিমু না”, টিএমডির সঙ্গে এমন একটি অডিও শেয়ার করেন অনেকে। বাকিরা ‘মালু’ বা হিন্দু মুক্ত দেশ গড়ার কথা বলছেন অথবা ‘মালাউন’ শব্দ ব্যবহার করে অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছেন।
ধর্ম, জাতি, বর্ণ বা জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আক্রমণ, অপমান (যেমন মালাউন বলা), হুমকি দেওয়া বা সহিংসতায় উসকানি দেওয়া অথবা দেশ থেকে বের করে দেওয়ার মতো বর্জনমূলক বক্তব্যকে বিদ্বেষমূলক বলে ধরা হয়।
ডিসমিসল্যাব বলছে, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে বাংলাদেশে টিএমডি প্রচারণা প্রথম পাওয়া যায় গত বছর। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) বহিষ্কৃত সদস্য ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তার ও জামিন নামঞ্জুর হওয়া নিয়ে চট্টগ্রামে এক সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম নামের এক আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। এর সঙ্গে ইসকনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে তাদের নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুদিন পরই একাধিক ব্যবহারকারী টিএমডিকে ‘টোটাল মালাউন ডেথ’ হিসেবে লিখে পোস্ট করেন এবং এরপরের মাসেই ‘টোটাল মিষ্টি বিতরণ’ নামের গ্রুপটি তৈরি হয় এবং আরও অনেকে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা শুরু করে।
আরও বলা হয়েছে, গতমাসের শেষ দিকে টিএমডি প্রচারণা ফের ছড়াতে শুরু করে। এর পেছনে তিনটি ঘটনা কাজ করেছে- গত ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে ধর্ষণের অভিযোগে বুয়েট শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়কে ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন, গাজীপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, এবং গাজীপুরের টঙ্গী থেকে খতিব ও পেশ ইমাম মো. মুহিবুল্লাহ মিয়াজীকে অপহরণের অভিযোগ।

সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিএমডি (#TMD) হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশে অসংখ্য ফেসবুক ব্যবহারকারী এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট দিচ্ছেন। ফ্যাক্টচেক, অনুসন্ধান ও গবেষণা প্লাটফর্ম ডিসমিসল্যাবের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
ডিসমিসল্যাব বলছে, গত ২২ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি সহিংসতা ও হত্যার উসকানি ও সরাসরি বিদ্বেষ ছড়ানো অন্তত ৩৯টি পোস্ট পেয়েছে তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ৩৯টি পোস্ট সুস্পষ্টভাবে বিদ্বেষমূলক। এর বাইরে আরও প্রায় ১৭৮টি পোস্ট পাওয়া গেছে, যেগুলোতে টিএমডি লেখাসহ সাংকেতিক ভাষায় বা দ্ব্যর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বার্তা ছড়ানো হয়েছে। সংগ্রহ করা প্রতিটি পোস্টই সেই এক সপ্তাহ সময়ের মধ্যে ছড়িয়েছে।
ডিসমিসল্যাব বলছে, সাতটি পোস্টে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ইঙ্গিত করে তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই ‘টিএমডি করে’ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ এই দাবির সঙ্গে মালাউন মুক্ত দেশ গড়ার কথা বলেছেন।
একজনের বক্তব্য সরাসরি উদ্ধৃত করেছে ডিসমিসল্যাব।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন সরাসরি বলেছেন, “পাথর নিক্ষেপ করে মারতে হবে মালুদের এটাই শাস্তি,”; “ভারতে যদি মুসলমান মাইরা ফেলায়, আমরা এই দেশের হিন্দু মাইরা ফেলামু। একটাও বাঁচতে দিমু না”, টিএমডির সঙ্গে এমন একটি অডিও শেয়ার করেন অনেকে। বাকিরা ‘মালু’ বা হিন্দু মুক্ত দেশ গড়ার কথা বলছেন অথবা ‘মালাউন’ শব্দ ব্যবহার করে অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছেন।
ধর্ম, জাতি, বর্ণ বা জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আক্রমণ, অপমান (যেমন মালাউন বলা), হুমকি দেওয়া বা সহিংসতায় উসকানি দেওয়া অথবা দেশ থেকে বের করে দেওয়ার মতো বর্জনমূলক বক্তব্যকে বিদ্বেষমূলক বলে ধরা হয়।
ডিসমিসল্যাব বলছে, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে বাংলাদেশে টিএমডি প্রচারণা প্রথম পাওয়া যায় গত বছর। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) বহিষ্কৃত সদস্য ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তার ও জামিন নামঞ্জুর হওয়া নিয়ে চট্টগ্রামে এক সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম নামের এক আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। এর সঙ্গে ইসকনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে তাদের নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুদিন পরই একাধিক ব্যবহারকারী টিএমডিকে ‘টোটাল মালাউন ডেথ’ হিসেবে লিখে পোস্ট করেন এবং এরপরের মাসেই ‘টোটাল মিষ্টি বিতরণ’ নামের গ্রুপটি তৈরি হয় এবং আরও অনেকে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা শুরু করে।
আরও বলা হয়েছে, গতমাসের শেষ দিকে টিএমডি প্রচারণা ফের ছড়াতে শুরু করে। এর পেছনে তিনটি ঘটনা কাজ করেছে- গত ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে ধর্ষণের অভিযোগে বুয়েট শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়কে ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন, গাজীপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, এবং গাজীপুরের টঙ্গী থেকে খতিব ও পেশ ইমাম মো. মুহিবুল্লাহ মিয়াজীকে অপহরণের অভিযোগ।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।