চরচা ডেস্ক

ফ্রান্সে দীর্ঘ নৈতিক-রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পাস হলো ‘অ্যাসিস্টেড ডাইং’ বা ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিল।
গতকাল বুধবার দেশটির আইনপ্রণেতারা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এই আইনি অধিকারের স্বীকৃতি দিয়ে বিলটি অনুমোদন করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নতুন এই আইনের আওতায়, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে, কোনো রোগী নিজে থেকে আবেদন করলে তাকে জীবনাবসানকারী ওষুধ দেওয়া যাবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি শারীরিকভাবে তা গ্রহণে অক্ষম হন, তবে চিকিৎসক বা নার্সের সহায়তায় তা প্রয়োগ করা হবে।
ফরাসি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিলটির পক্ষে ২৯১টি এবং বিপক্ষে ২৪১টি ভোট পড়ে।
বিলটি পাসের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেন, “এই অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল বিষয়ে কেবল একটি পথই খোলা ছিল, আর তা হলো সময় নিয়ে মানুষের কথা শোনা, সংলাপ চালানো এবং উন্মুক্ত বিতর্ক সৃষ্টি করা”।
এদিকে বিলটির বিরোধিতায় পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন অনেকে।
তবে ফ্রান্সে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বেচ্ছামৃত্যুর পক্ষে বরাবরই ব্যাপক জনসমর্থন দেখা গেছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ইফপের একটি জরিপ অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ৮৪ শতাংশ মানুষ এই বিলটির পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

ফ্রান্সে দীর্ঘ নৈতিক-রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পাস হলো ‘অ্যাসিস্টেড ডাইং’ বা ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিল।
গতকাল বুধবার দেশটির আইনপ্রণেতারা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এই আইনি অধিকারের স্বীকৃতি দিয়ে বিলটি অনুমোদন করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নতুন এই আইনের আওতায়, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে, কোনো রোগী নিজে থেকে আবেদন করলে তাকে জীবনাবসানকারী ওষুধ দেওয়া যাবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি শারীরিকভাবে তা গ্রহণে অক্ষম হন, তবে চিকিৎসক বা নার্সের সহায়তায় তা প্রয়োগ করা হবে।
ফরাসি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিলটির পক্ষে ২৯১টি এবং বিপক্ষে ২৪১টি ভোট পড়ে।
বিলটি পাসের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেন, “এই অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল বিষয়ে কেবল একটি পথই খোলা ছিল, আর তা হলো সময় নিয়ে মানুষের কথা শোনা, সংলাপ চালানো এবং উন্মুক্ত বিতর্ক সৃষ্টি করা”।
এদিকে বিলটির বিরোধিতায় পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন অনেকে।
তবে ফ্রান্সে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বেচ্ছামৃত্যুর পক্ষে বরাবরই ব্যাপক জনসমর্থন দেখা গেছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ইফপের একটি জরিপ অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ৮৪ শতাংশ মানুষ এই বিলটির পক্ষে মত দিয়েছিলেন।