চরচা ডেস্ক

জনপ্রতি ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রী পরিবহনের জন্য সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। ইউএস-বাংলার প্রস্তাব অনুযায়ী, যাত্রীদের বিমান ভাড়া বাবদ গত বছরের তুলনায় ৫৬ হাজার ৮৩০ টাকা কম খরচ হবে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৬ দশমিক ৭০ শতাংশ কম।
মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাব জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সরকারের অনুমোদন পেলে ২০২৭ সালের হজ যাত্রীদের পরিবহন করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ, ২০২৬ সালের হজ যাত্রীদের জনপ্রতি বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা। হজ প্যাকেজের একটি বড় অংশ বিমান ভাড়ায় খরচ হয়।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চিঠি পেয়েছেন জানিয়ে বলেছেন, হজের বিমান ভাড়া কমানোর দরকষাকষির আলোচনার জন্য এটি
(ইউএস-বাংলার চিঠি) প্লাস পয়েন্ট হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনা করবেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ধর্ম সচিবকে দেওয়া চিঠিতে ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, বংলাদেশের স্বল্প আয়ের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যাতে আসন্ন হজ মৌসুমে স্বল্পব্যয়ে পবিত্র হজ পালন করতে পারে তার জন্য হজ ফ্লাইটের সমস্ত শর্ত মেনে নেট ভাড়া জনপ্রতি ৯৮ হাজার টাকায় হজ ফ্লাইট পরিচালনা করতে ইচ্ছুক এয়ারলাইনসটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে সৌদি আরবের সরকারি বিমান সংস্থা সউদিয়া এয়ারলাইনস ও বেসরকারি বিমান সংস্থা ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস হজ মৌসুমে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহন করে আসছে।
হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, আমরা সবসময়ই হজের বিমান ভাড়া কমানোর বিষয়ে কথা বলি। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ধর্ম মন্ত্রণালয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, সভায় আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব।
ধর্ম সচিব বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস বলেছে, আপনারা আমাদের অ্যালাউ (অনুমোদন) করলে আমরা সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির অনুমোদন নিয়ে আসব।
তিনি আরও বলেন, আমরাও চাই, মানুষ যাতে অল্প পয়সা খরচ করে হজে যেতে পারেন। এটা দরকষাকষির জন্য আমাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট হয়েছে। বর্তমান সরকারের হজের ব্যয় কমানোর যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা আমাদের অব্যাহত আছে। হজের বিমান ভাড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা হওয়াটা ভালো।

জনপ্রতি ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রী পরিবহনের জন্য সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। ইউএস-বাংলার প্রস্তাব অনুযায়ী, যাত্রীদের বিমান ভাড়া বাবদ গত বছরের তুলনায় ৫৬ হাজার ৮৩০ টাকা কম খরচ হবে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৬ দশমিক ৭০ শতাংশ কম।
মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাব জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সরকারের অনুমোদন পেলে ২০২৭ সালের হজ যাত্রীদের পরিবহন করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ, ২০২৬ সালের হজ যাত্রীদের জনপ্রতি বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা। হজ প্যাকেজের একটি বড় অংশ বিমান ভাড়ায় খরচ হয়।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চিঠি পেয়েছেন জানিয়ে বলেছেন, হজের বিমান ভাড়া কমানোর দরকষাকষির আলোচনার জন্য এটি
(ইউএস-বাংলার চিঠি) প্লাস পয়েন্ট হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনা করবেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ধর্ম সচিবকে দেওয়া চিঠিতে ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, বংলাদেশের স্বল্প আয়ের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যাতে আসন্ন হজ মৌসুমে স্বল্পব্যয়ে পবিত্র হজ পালন করতে পারে তার জন্য হজ ফ্লাইটের সমস্ত শর্ত মেনে নেট ভাড়া জনপ্রতি ৯৮ হাজার টাকায় হজ ফ্লাইট পরিচালনা করতে ইচ্ছুক এয়ারলাইনসটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে সৌদি আরবের সরকারি বিমান সংস্থা সউদিয়া এয়ারলাইনস ও বেসরকারি বিমান সংস্থা ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস হজ মৌসুমে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহন করে আসছে।
হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, আমরা সবসময়ই হজের বিমান ভাড়া কমানোর বিষয়ে কথা বলি। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ধর্ম মন্ত্রণালয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, সভায় আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব।
ধর্ম সচিব বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস বলেছে, আপনারা আমাদের অ্যালাউ (অনুমোদন) করলে আমরা সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির অনুমোদন নিয়ে আসব।
তিনি আরও বলেন, আমরাও চাই, মানুষ যাতে অল্প পয়সা খরচ করে হজে যেতে পারেন। এটা দরকষাকষির জন্য আমাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট হয়েছে। বর্তমান সরকারের হজের ব্যয় কমানোর যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা আমাদের অব্যাহত আছে। হজের বিমান ভাড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা হওয়াটা ভালো।