চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকায় মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড পড়ে একজন নিহতের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর পুরো পথে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালনাকারী কোম্পানি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
আগারগাঁও থেকে শাহবাগ অংশে গতকাল থেকেই ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল, সকালে এই অংশে ট্রায়াল চালানো হয়। এরপর সকাল ১১টায় পুরো পথে পুরোদমে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিয়ারিং প্যাড খসে পড়লে আবুল কালাম নামের এক যুবক মারা যান। এ ঘটনার পরপরই মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এরপর বিকেল থেকে আগারগাঁও-উত্তরা রুটে এবং সন্ধ্যায় শাহবাগ-মতিঝিল রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। দুর্ঘটনার পর থেকেই আগারগাঁও থেকে শাহবাগ অংশে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর একই এলাকায় বিয়ারিং প্যাড পড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়।
কম্পন প্রতিরোধের জন্য সেতু বা উড়াল সেতুতে বিয়ারিং প্যাড বসানো থাকে। এই প্যাড পিয়ার ও ভায়াডাক্টের সংযোগস্থলে বসানো হয়। কোনোটির ভেতরে কয়েক পরতে থাকে স্টিলের কাঠামো, আর উপরে থাকে রাবার। এগুলো ভারী হয়।

রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকায় মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড পড়ে একজন নিহতের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর পুরো পথে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালনাকারী কোম্পানি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
আগারগাঁও থেকে শাহবাগ অংশে গতকাল থেকেই ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল, সকালে এই অংশে ট্রায়াল চালানো হয়। এরপর সকাল ১১টায় পুরো পথে পুরোদমে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিয়ারিং প্যাড খসে পড়লে আবুল কালাম নামের এক যুবক মারা যান। এ ঘটনার পরপরই মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এরপর বিকেল থেকে আগারগাঁও-উত্তরা রুটে এবং সন্ধ্যায় শাহবাগ-মতিঝিল রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। দুর্ঘটনার পর থেকেই আগারগাঁও থেকে শাহবাগ অংশে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর একই এলাকায় বিয়ারিং প্যাড পড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়।
কম্পন প্রতিরোধের জন্য সেতু বা উড়াল সেতুতে বিয়ারিং প্যাড বসানো থাকে। এই প্যাড পিয়ার ও ভায়াডাক্টের সংযোগস্থলে বসানো হয়। কোনোটির ভেতরে কয়েক পরতে থাকে স্টিলের কাঠামো, আর উপরে থাকে রাবার। এগুলো ভারী হয়।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।