চরচা প্রতিবেদক

জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত পাঠানো গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশিকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন– সাহেদুল ইসলাম (৩৭) ও রিশাদ তায়ানী (২৫)।
গতকাল বিমানবন্দর থানার জিডির ভিত্তিতে তাদের বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিন তাদেরকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম।
আবেদনে বলা হয়, সিঙ্গাপুর অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদেরকে আটক করে। এরপর বিমানে করে ওই দুই যুবককে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের অফিসারের কাছে পাঠায় সিঙ্গাপুর পুলিশ।
পরবর্তীতে বিষয়টি সিটিটিসির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঢাকায় ইমিগ্রেশনে ডিউটি অফিসারের কক্ষে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের কাছ থেকে ৩টি মোবাইল ও ৩টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা সিঙ্গাপুর অবস্থানকালে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। আসামিরা যেকোনো সময় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলা করার সম্ভবনা বিদ্যমান। আসামিরা বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর গিয়ে ধর্তব্য অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের আটক করে। পরে জিডি সূত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশের কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সহিত জড়িত কিনা, কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে নিষিদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করে কিনা এবং জঙ্গি কার্যক্রমের অর্থের যোগানদাতা কে বা কারা তা জানা, বাংলাদেশে তাদের অস্তিত্ব আছে কিনা এবং আন্তর্জাতিক নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সহিত জড়িত আছে কিনা তা জানার জন্য পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের প্রয়োজন।

জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত পাঠানো গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশিকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন– সাহেদুল ইসলাম (৩৭) ও রিশাদ তায়ানী (২৫)।
গতকাল বিমানবন্দর থানার জিডির ভিত্তিতে তাদের বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিন তাদেরকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম।
আবেদনে বলা হয়, সিঙ্গাপুর অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদেরকে আটক করে। এরপর বিমানে করে ওই দুই যুবককে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের অফিসারের কাছে পাঠায় সিঙ্গাপুর পুলিশ।
পরবর্তীতে বিষয়টি সিটিটিসির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঢাকায় ইমিগ্রেশনে ডিউটি অফিসারের কক্ষে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের কাছ থেকে ৩টি মোবাইল ও ৩টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা সিঙ্গাপুর অবস্থানকালে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। আসামিরা যেকোনো সময় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলা করার সম্ভবনা বিদ্যমান। আসামিরা বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর গিয়ে ধর্তব্য অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের আটক করে। পরে জিডি সূত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশের কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সহিত জড়িত কিনা, কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে নিষিদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করে কিনা এবং জঙ্গি কার্যক্রমের অর্থের যোগানদাতা কে বা কারা তা জানা, বাংলাদেশে তাদের অস্তিত্ব আছে কিনা এবং আন্তর্জাতিক নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সহিত জড়িত আছে কিনা তা জানার জন্য পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের প্রয়োজন।