চরচা প্রতিবেদক

সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ বাস্তবায়নকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন’।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা নবগঠিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, “১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এর মৌলিক ধারাগুলো আজও অবাস্তবায়িত। এতে পাহাড়ের আদিবাসী জনগণের ভবিষ্যৎ যেমন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে, তেমনি নাগরিক সমাজের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।”
ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচিতে ‘রেইনবো নেশন’ বা বহুজাতির সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্রসত্তা বিনির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার বুনিয়াদ মজবুত করতে হলে পার্বত্য চুক্তির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। আমরা আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকার পদাঙ্ক অনুসরণ করে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখবেন।”
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া চুক্তির চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পাহাড়কে অশান্ত করার কোনো অপচেষ্টা আমরা দেখতে চাই না। বিনয়ের সঙ্গে দাবি জানাচ্ছি, তাকে অন্য কোনো দপ্তরে পুনর্বণ্টন করা হোক।”
মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ১৯ নম্বর ধারার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, উপজাতীয়দের মধ্য থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগ করে এই মন্ত্রণালয় গঠিত হবে। সরকারের উচিত চুক্তির এই আইনি বিধান মেনে চলা।”
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে উত্থাপিত ৫ দফা দাবি
১. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সূচিভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা।
২. অনতিবিলম্বে চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন করা।
৩. দ্রুততম সময়ে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করা।
৪. অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সাথে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংলাপের আয়োজন করা।
৫. চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহারপূর্বক দপ্তর পুনর্বণ্টন করা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ বাস্তবায়নকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন’।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা নবগঠিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, “১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এর মৌলিক ধারাগুলো আজও অবাস্তবায়িত। এতে পাহাড়ের আদিবাসী জনগণের ভবিষ্যৎ যেমন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে, তেমনি নাগরিক সমাজের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।”
ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচিতে ‘রেইনবো নেশন’ বা বহুজাতির সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্রসত্তা বিনির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার বুনিয়াদ মজবুত করতে হলে পার্বত্য চুক্তির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। আমরা আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকার পদাঙ্ক অনুসরণ করে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখবেন।”
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া চুক্তির চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পাহাড়কে অশান্ত করার কোনো অপচেষ্টা আমরা দেখতে চাই না। বিনয়ের সঙ্গে দাবি জানাচ্ছি, তাকে অন্য কোনো দপ্তরে পুনর্বণ্টন করা হোক।”
মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ১৯ নম্বর ধারার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, উপজাতীয়দের মধ্য থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগ করে এই মন্ত্রণালয় গঠিত হবে। সরকারের উচিত চুক্তির এই আইনি বিধান মেনে চলা।”
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে উত্থাপিত ৫ দফা দাবি
১. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সূচিভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা।
২. অনতিবিলম্বে চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন করা।
৩. দ্রুততম সময়ে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করা।
৪. অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সাথে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংলাপের আয়োজন করা।
৫. চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহারপূর্বক দপ্তর পুনর্বণ্টন করা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বের জ্বালানির বাজারে। তবে চলতি মার্চ পর্যন্ত দেশে জ্বালানির সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।