রয়টার্সের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই ভেনেজুয়েলা-সংশ্লিষ্ট নতুন অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন অন্তত চারজন আমেরিকান কর্মকর্তা। এই নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে গোপন অভিযান চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।
আজ রোববার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ আরও বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
তবে নতুন অভিযানের সময় বা পরিসর কেমন হবে, কিংবা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না তা সঠিকভাবে জানতে পারেনি রয়টার্স।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছিল, কারাকাসের বিরুদ্ধে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পর এই ধারণা আরও শক্তিশালী হয়।
স্থানীয় সময় শনিবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন অভিযানের প্রথম ধাপ হিসেবে গোপন অভিযান শুরুর সম্ভাবনাই বেশি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে পেন্টাগন। সিআইএ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
একজন সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা শনিবার বলেন, ভেনেজুয়েলার বিষয়ে এসব সম্ভাবনা 'উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না'।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে ও দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের শক্তি ব্যবহারে প্রস্তুত।”
দুই আমেরিকান কর্মকর্তা বলেন, ভেনেজুয়েলা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিবেচনাধীন বিকল্পগুলোর মধ্যে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টাও রয়েছে।
২০১৩ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা মাদুরোর দাবি, ট্রাম্প তাকে অপসারণ করতে চান এবং ভেনেজুয়েলার নাগরিকরাই তার এমন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
এর আগে, শুক্রবার মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) প্রধান এয়ারলাইন্সগুলোকে ভেনেজুয়েলার আকাশসীমায় 'সম্ভাব্য ঝুঁকি' নিয়ে সতর্ক করেছে এবং সতর্কতা মেনে চলাচলের নির্দেশ দেয়।

যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই ভেনেজুয়েলা-সংশ্লিষ্ট নতুন অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন অন্তত চারজন আমেরিকান কর্মকর্তা। এই নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে গোপন অভিযান চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।
আজ রোববার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ আরও বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
তবে নতুন অভিযানের সময় বা পরিসর কেমন হবে, কিংবা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না তা সঠিকভাবে জানতে পারেনি রয়টার্স।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছিল, কারাকাসের বিরুদ্ধে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পর এই ধারণা আরও শক্তিশালী হয়।
স্থানীয় সময় শনিবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন অভিযানের প্রথম ধাপ হিসেবে গোপন অভিযান শুরুর সম্ভাবনাই বেশি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে পেন্টাগন। সিআইএ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
একজন সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা শনিবার বলেন, ভেনেজুয়েলার বিষয়ে এসব সম্ভাবনা 'উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না'।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে ও দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের শক্তি ব্যবহারে প্রস্তুত।”
দুই আমেরিকান কর্মকর্তা বলেন, ভেনেজুয়েলা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিবেচনাধীন বিকল্পগুলোর মধ্যে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টাও রয়েছে।
২০১৩ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা মাদুরোর দাবি, ট্রাম্প তাকে অপসারণ করতে চান এবং ভেনেজুয়েলার নাগরিকরাই তার এমন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
এর আগে, শুক্রবার মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) প্রধান এয়ারলাইন্সগুলোকে ভেনেজুয়েলার আকাশসীমায় 'সম্ভাব্য ঝুঁকি' নিয়ে সতর্ক করেছে এবং সতর্কতা মেনে চলাচলের নির্দেশ দেয়।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।