Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

ট্রাইব্যুনালের দেওয়া কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে হাসানুল হক ইনুর আপিল

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ০০
ট্রাইব্যুনালের দেওয়া কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে হাসানুল হক ইনুর আপিল
ছবি: ইউএনবি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

Advertisement

আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে একই মামলায় হাসানুল হক ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আপিল করে প্রসিকিউশন। ফলে খালাস চেয়ে ইনুর আপিল ও তার সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল—দুটি আবেদনই এখন আপিল বিভাগে বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত ৩০ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি—৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, আন্দোলনকারী রাইসুল হকসহ অন্য ভুক্তভোগীদের গুরুতর আহত ও নির্যাতন করা এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের দায় হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া, মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতার অভিযোগেও তাকে দণ্ডিত করা হয়। এসব অভিযোগে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে আনা ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এসব অভিযোগ থেকে হাসানুল হক ইনুকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।

ইনুর বিরুদ্ধে আট অভিযোগ

মামলায় হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ভারতের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জুলাই আন্দোলনকারীদের জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তা এবং হত্যার নির্দেশ দেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডhasanul enu

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৪ দলীয় জোটের সভা হয়। সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে ‘শুট অ্যাট সাইট’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ইনু নির্দেশ, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা দেন।

তৃতীয় অভিযোগে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ছবি দেখে তালিকা তৈরি এবং তাদের আটক ও নির্যাতনের জন্য কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোনে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ অভিযোগটি ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে।

চতুর্থ অভিযোগে আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার ও হেলিকপ্টার থেকে বোমা হামলার পরিকল্পনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়। পঞ্চম অভিযোগে গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া এবং সরকারের নেওয়া হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন-নিপীড়নকে সমর্থনের অভিযোগ আনা হয়। এ দুটি অভিযোগে ইনুকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

ষষ্ঠ মামলায় ১৪ দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়। সপ্তম অভিযোগে শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়। এই দুই অভিযোগেই ইনুর বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হয়েছে।

অষ্টম অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরে ইউসুফ শেখ, উসামা, সুরুজ আলী, আশরাফুল ইসলাম, বাবলু ফরাজী ও আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন নামের ছয় আন্দোলনকারীকে হত্যায় নির্দেশনা দেন ইনু। একই সঙ্গে সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা এবং ২৫ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতাকে আহত করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও আনা হয় তার বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

বিষয়: মামলাকারাদণ্ডআপিলসুপ্রিম কোর্টআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালমানবতাবিরোধী অপরাধজাসদ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯২০

  • ২

    ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার দিল সোনালী ব্যাংক

  • ৩

    ট্রাম্প যে কারণে ছাড় দিচ্ছেন পুতিনকে

  • ৪

    দীর্ঘ বিলম্বের পর চালু হচ্ছে চীন-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সেতু

  • ৫

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

সম্পর্কিত
  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯২০

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯২০

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯২০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)।

  • ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার দিল সোনালী ব্যাংক

    ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার দিল সোনালী ব্যাংক

    তারল্য সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংককে তিন মাসের জন্য সাত হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। ১০ শতাংশ সুদে দেওয়া এই ঋণের বিপরীতে গ্যারান্টি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে আমানতকারীরা যাতে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এ অর্থের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • দীর্ঘ বিলম্বের পর চালু হচ্ছে চীন-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সেতু

    দীর্ঘ বিলম্বের পর চালু হচ্ছে চীন-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সেতু

    উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। তবে নতুন সেতুটি চালুর তাৎপর্য আরও বেশি, কারণ মহামারির পর বিচ্ছিন্ন দেশটি বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ ও বিনিময় বাড়াচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

    আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ মামলার সাক্ষীরা পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জেরা করা হয়। জেরা শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষীর জন্য আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।