বিতর্কের জেরে ‘প্রিন্স’ পদবি খোয়ালেন অ্যান্ড্রু

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
বিতর্কের জেরে ‘প্রিন্স’ পদবি খোয়ালেন অ্যান্ড্রু
মাসের শুরুতেই অ্যান্ড্রু তার 'ডিউক অফ ইয়র্ক'-এর মতো অন্য রাজকীয় পদবিও ত্যাগ করেন। ছবি: ছবি এআই দিয়ে স্কেচ করা

দীর্ঘদিনের সমালোচনার মুখে প্রিন্স অ্যান্ড্রু তার ‘প্রিন্স’ পদবি হারাতে চলেছেন। একই সঙ্গে তাকে উইন্ডসরের রাজকীয় বাসভবন ‘রয়্যাল লজ’ ছেড়ে যেতে হবে।

ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বাকিংহাম প্যালেসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এখন থেকে ‘অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর’ নামে পরিচিত হবেন। নামের পূর্বে প্রিন্স পদবীটি আর থাকবে না। পদবি কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্যালেস আরও জানিয়েছে, রয়্যাল লজের লিজ বাতিল করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় এই মাসের শুরুতেই অ্যান্ড্রু তার ‘ডিউক অফ ইয়র্ক’-এর মতো অন্য রাজকীয় পদবিও ত্যাগ করেন।

ভার্জিনিয়া জিউফ্রের নামের এক নারী তার বইতে অভিযোগ করেছেন, কিশোরী বয়সে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক হয়েছিল। তবে প্রিন্স অ্যান্ড্রু এই দাবি অস্বীকার করেছেন।

মিস জিউফ্রের পরিবার জানিয়েছে, তিনি তার সত্য এবং সাহসের মাধ্যমে ‘একজন ব্রিটিশ রাজপুত্রকে’ পদ থেকে সরিয়ে দিতে পেরেছেন। তবে দুঃখের বিষয় হলো, জিউফ্রে এই বছরের শুরুর দিকে আত্মহত্যা করেন।

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন-এর সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর যোগাযোগের বিতর্কটি মিস জিউফ্রের বইতে প্রকাশিত হয়।

প্রিন্স অ্যান্ড্রু সবসময়ই বলেছেন তিনি মিস জিউফ্রেকে কখনোই হয়রানি করেননি। কিন্তু, চলতি মাসের শুরুতে ২০১১ সালের কিছু ইমেল সকলের সামনে আসে। এই ইমেলগুলোতে দেখা যায়, প্রিন্স অ্যান্ড্রু যখন দাবি করেছিলেন যে এপস্টাইনের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব শেষ, তার কয়েক মাস পরেও তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল।

সম্পর্কিত