চরচা প্রতিবেদক

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টি আসন নারীদের জন্য বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে নারী নেত্রীরা।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে এ দাবি জানান তারা।
বৈঠক শেষে উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অফ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নাসরিন ফাতেমা আউয়াল সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমরা চাই সংসদে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ুক। অন্তত ৫০ শতাংশ অর্থাৎ ১৫০টি আসন নারীদের জন্য রাখা হোক। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করছি যেন নারীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পর্যাপ্ত সহায়তা পান।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমেরিকাসহ অনেক দেশেই নারীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা দেওয়া হয়। আমাদের দেশেও এমন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে করে নারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে প্রার্থী হতে পারেন এবং ভোটদানের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা পান।’’
নির্বাচনী তহবিল প্রসঙ্গে নাসরিন ফাতেমা বলেন, ‘‘নারীদের পক্ষে নির্বাচনী ব্যয় মেটানো অনেক কঠিন। পরিবারের পক্ষ থেকেও সহজে অর্থ সহায়তা মেলে না, যেখানে পুরুষরা সহজেই পায়। তাই সরকার যদি নির্বাচনী তহবিল থেকে নারীদের জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়, তবে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে আরো বেশি আগ্রগী হবে।’’
দলগুলোর প্রার্থী মনোনয়ন নীতিতেও পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি। অনেক দল মাত্র ৫ থেকে ৭ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। এভাবে না করে যদি অন্তত নির্দিষ্ট শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়া বাধ্যবাধকতা থাকে, তাহলে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব ভারসাম্যপূর্ণ হবে।
নারী নেত্রীরা মনে করেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো শুধু প্রতিনিধিত্ব নয়, বরং নীতি নির্ধারণে নারী দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টি আসন নারীদের জন্য বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে নারী নেত্রীরা।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে এ দাবি জানান তারা।
বৈঠক শেষে উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অফ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নাসরিন ফাতেমা আউয়াল সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমরা চাই সংসদে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ুক। অন্তত ৫০ শতাংশ অর্থাৎ ১৫০টি আসন নারীদের জন্য রাখা হোক। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করছি যেন নারীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পর্যাপ্ত সহায়তা পান।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমেরিকাসহ অনেক দেশেই নারীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা দেওয়া হয়। আমাদের দেশেও এমন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে করে নারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে প্রার্থী হতে পারেন এবং ভোটদানের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা পান।’’
নির্বাচনী তহবিল প্রসঙ্গে নাসরিন ফাতেমা বলেন, ‘‘নারীদের পক্ষে নির্বাচনী ব্যয় মেটানো অনেক কঠিন। পরিবারের পক্ষ থেকেও সহজে অর্থ সহায়তা মেলে না, যেখানে পুরুষরা সহজেই পায়। তাই সরকার যদি নির্বাচনী তহবিল থেকে নারীদের জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়, তবে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে আরো বেশি আগ্রগী হবে।’’
দলগুলোর প্রার্থী মনোনয়ন নীতিতেও পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি। অনেক দল মাত্র ৫ থেকে ৭ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। এভাবে না করে যদি অন্তত নির্দিষ্ট শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়া বাধ্যবাধকতা থাকে, তাহলে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব ভারসাম্যপূর্ণ হবে।
নারী নেত্রীরা মনে করেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো শুধু প্রতিনিধিত্ব নয়, বরং নীতি নির্ধারণে নারী দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।