
বিমান ভাড়া আরও কমানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে : বিমানমন্ত্রী
বিমানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে এই টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট কিনতে পারবেন।”

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড। আজ শুক্রবার বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম একথা জানান।
রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের গঠিত মেডিকেল বোর্ড সবকিছু পর্যালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিস্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কিছুক্ষণ আগে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে।”
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “এর আগে সকালে উনার সিটি স্ক্যান করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে অবস্থার অবণতি হলে দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সব কিছু দেখে এই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়েছে।”
মেডিকেল বোর্ডে দেশের প্রখ্যাত নিউরো বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।
এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন।
গত বুধবার ইফতারির সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে।

বিমানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে এই টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট কিনতে পারবেন।”

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে প্রায় দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।” রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানায়,

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠক বর্জন করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল। আজ রোববার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে মানবাধিকার কমিশন বিলের আলোচনায় অংশ নেননি বিরোধী দলের সদস্যরা। তবে সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে আলোচন

সংগঠনটি জানায়, বিলের ধারা ১৪(৩)-এ অভিযুক্ত কোনো শৃঙ্খলা-বাহিনীকে তদন্ত থেকে বিরত রাখার বিধানটি ইতিবাচক। তবে অভিযুক্ত বাহিনীর জায়গায় অন্য কোনো বাহিনী বা আন্তঃবাহিনী দলকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার যে সুযোগ রাখা হয়েছে, তা প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন তদন্ত নিশ্চিত করে না।