পর্তুগাল ০ : ১ স্পেন
চরচা ডেস্ক

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্সের যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে গোল না পেলে ম্যাচে রোনালদোর অবদান খুঁজে নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। বিশ্বকাপে আজ স্পেনের বিপক্ষেও তার ব্যতিক্রম হলো না। ম্যাচে মাত্র ১৯ বার বলে স্পর্শ করেছেন, এর মধ্যে স্পেনের বক্সে টাচ মাত্র ৩ বার!
ম্যাচটাও কাগজে-কলমে দারুণ কিছুর প্রত্যাশা জোগালেও বাস্তবে হয়েছে ম্যাড়মেড়ে। শেষ পর্যন্ত ৯১তম মিনিটে মিকেল মেরিনোর গোল ম্যাচটাকে আর অতিরিক্ত সময়ে যেতে দেয়নি। ১-০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে স্পেন, রোনালদোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো ব্যর্থতায়।
দুই দলে প্রতিভার অভাব নেই, দুই দলই বল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করে – এমন ম্যাচটাতে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল আশা করারই কথা দর্শকদের। কিন্তু হলো কী! প্রথমার্ধে তা-ও দুই দলের কিছু আক্রমণ চোখে পড়েছে, দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ আরও একঘেঁয়ে হয়ে পড়ে।
৯ মিনিটে স্পেন ফরোয়ার্ড ওইয়ারসাবালের মিস দিয়ে শুরু। ১৭ মিনিটে পর্তুগাল গোলকিপার দিয়োগো কস্তা টানা দুটি সেইভে ফেরান ইয়ামাল আর বায়েনার শট, এর মধ্যে দ্বিতীয় সেইভটি তো টুর্নামেন্টের সেরা সেইভগুলোর একটি। বিরতির ঠিক আগে বক্সের বাইরে থেকে নুনো মেন্দেসের বুলেটগতির শট বার কাঁপিয়ে না ফিরলে পর্তুগাল এগিয়ে যেতে পারত।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আরও যেন হাল ছেড়ে দেওয়া ফুটবল খেলেছে পর্তুগাল। এর মধ্যে দলটার দুর্ভাগ্য হয়ে আসে ৫৬ মিনিটে চোট নিয়ে নুনো মেন্দেসের মাঠ ছেড়ে যাওয়া। লামিন ইয়ামালকে আটকাতে পর্তুগাল কোচ রবের্তো মার্তিনেস নামান রাইটব্যাক নেলসন সেমেদোকে।
বিরক্তিকর হয়ে ওঠা ম্যাচটা যখন অতিরিক্ত সময়ে যার সম্ভাবনা জেগেছে, ৯১ মিনিটে রোনালদো আর পর্তুগালের স্বপ্নের পথে ‘যম’ হয়ে দেখা দেন মিকেল মেরিনো। তার গোলই লিখে দেয়, বিশ্বকাপটা জেতা তো দূরের কথা, বিশ্বকাপে তেমন কিছু না করেই বিদায় নিতে হচ্ছে রোনালদোকে। যদিও যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে বের্নার্দো সিলভার হেড পর্তুগালকে প্রায় সমতায় ফিরিয়ে এনেছিল!
তা হয়নি, কাঁদতে কাঁদতেই মাঠ ছাড়তে হলো রোনালদোকে। আরও একবার, ষষ্ঠবার, বিশ্বকাপ অভিযানে খুব একটা আলো ছড়ানো হলো না তার। ৪১ বছর বয়সে এসে বিশ্বকাপে ম্রিয়মাণ রোনালদো বিগত দিনের স্মৃতি মনে করানো দীর্ঘশ্বাস নিয়েই বিদায় নিলেন।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্সের যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে গোল না পেলে ম্যাচে রোনালদোর অবদান খুঁজে নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। বিশ্বকাপে আজ স্পেনের বিপক্ষেও তার ব্যতিক্রম হলো না। ম্যাচে মাত্র ১৯ বার বলে স্পর্শ করেছেন, এর মধ্যে স্পেনের বক্সে টাচ মাত্র ৩ বার!
ম্যাচটাও কাগজে-কলমে দারুণ কিছুর প্রত্যাশা জোগালেও বাস্তবে হয়েছে ম্যাড়মেড়ে। শেষ পর্যন্ত ৯১তম মিনিটে মিকেল মেরিনোর গোল ম্যাচটাকে আর অতিরিক্ত সময়ে যেতে দেয়নি। ১-০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে স্পেন, রোনালদোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো ব্যর্থতায়।
দুই দলে প্রতিভার অভাব নেই, দুই দলই বল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করে – এমন ম্যাচটাতে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল আশা করারই কথা দর্শকদের। কিন্তু হলো কী! প্রথমার্ধে তা-ও দুই দলের কিছু আক্রমণ চোখে পড়েছে, দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ আরও একঘেঁয়ে হয়ে পড়ে।
৯ মিনিটে স্পেন ফরোয়ার্ড ওইয়ারসাবালের মিস দিয়ে শুরু। ১৭ মিনিটে পর্তুগাল গোলকিপার দিয়োগো কস্তা টানা দুটি সেইভে ফেরান ইয়ামাল আর বায়েনার শট, এর মধ্যে দ্বিতীয় সেইভটি তো টুর্নামেন্টের সেরা সেইভগুলোর একটি। বিরতির ঠিক আগে বক্সের বাইরে থেকে নুনো মেন্দেসের বুলেটগতির শট বার কাঁপিয়ে না ফিরলে পর্তুগাল এগিয়ে যেতে পারত।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আরও যেন হাল ছেড়ে দেওয়া ফুটবল খেলেছে পর্তুগাল। এর মধ্যে দলটার দুর্ভাগ্য হয়ে আসে ৫৬ মিনিটে চোট নিয়ে নুনো মেন্দেসের মাঠ ছেড়ে যাওয়া। লামিন ইয়ামালকে আটকাতে পর্তুগাল কোচ রবের্তো মার্তিনেস নামান রাইটব্যাক নেলসন সেমেদোকে।
বিরক্তিকর হয়ে ওঠা ম্যাচটা যখন অতিরিক্ত সময়ে যার সম্ভাবনা জেগেছে, ৯১ মিনিটে রোনালদো আর পর্তুগালের স্বপ্নের পথে ‘যম’ হয়ে দেখা দেন মিকেল মেরিনো। তার গোলই লিখে দেয়, বিশ্বকাপটা জেতা তো দূরের কথা, বিশ্বকাপে তেমন কিছু না করেই বিদায় নিতে হচ্ছে রোনালদোকে। যদিও যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে বের্নার্দো সিলভার হেড পর্তুগালকে প্রায় সমতায় ফিরিয়ে এনেছিল!
তা হয়নি, কাঁদতে কাঁদতেই মাঠ ছাড়তে হলো রোনালদোকে। আরও একবার, ষষ্ঠবার, বিশ্বকাপ অভিযানে খুব একটা আলো ছড়ানো হলো না তার। ৪১ বছর বয়সে এসে বিশ্বকাপে ম্রিয়মাণ রোনালদো বিগত দিনের স্মৃতি মনে করানো দীর্ঘশ্বাস নিয়েই বিদায় নিলেন।