চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় কুমার ভার্মা। আজ বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে চলছে। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।
তিনি জানান, সীমান্তপারের বিদ্যুৎ বাণিজ্য ইতোমধ্যে উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ আমদানি–রপ্তানি আরও বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যৌথ বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের চলমান প্রকল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি চাহিদাও বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে ভারত সবসময় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আগামী দিনে আরও গভীর হবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় কুমার ভার্মা। আজ বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে চলছে। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।
তিনি জানান, সীমান্তপারের বিদ্যুৎ বাণিজ্য ইতোমধ্যে উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ আমদানি–রপ্তানি আরও বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যৌথ বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের চলমান প্রকল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি চাহিদাও বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে ভারত সবসময় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আগামী দিনে আরও গভীর হবে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আপনারা দেখেছেন বাংলাদেশে মানবাধিকার ইনডেক্সে আমরা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। আমরা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্স (গুম) প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। মিথ্যা–গায়েবি মামলা করার সংস্কৃতি আমরা কমিয়ে এনেছি।

ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস-এর তথ্য অনুসারে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা এবং তেহরানের পাল্টা হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগরের আশেপাশে জাহাজে অন্তত ১৩টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি হামলা আজই সংঘটিত হয়েছে।