ভোটে কে আসলো না, দেখার দায়িত্ব আমাদের নয়: সাখাওয়াত

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ভোটে কে আসলো না, দেখার দায়িত্ব আমাদের নয়: সাখাওয়াত
শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে ‘গণমাধ্যমের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত বিধিমালা পর্যালোচনা’ শীর্ষক সভায় বক্তব্য দেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: চরচা

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কোন দল নির্বাচন অংশ নেবে বা কে নেবে না তা দেখার দায়িত্ব সরকারের নয়।

আজ শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, “আমরা একটা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন পেতে চাই, সেটা অঙ্গীকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। আমরা মানুষকে বলতে চাই, বাংলাদেশে একটা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার সমাজের সূচনা হবে একটা ভালো নির্বাচন দিয়ে।”

“এ নির্বাচনে কোন পার্টি আসলো, না আসলো ওটা আমাদের দেখার ব্যাপার না, সেটা নির্বাচন কমিশন দেখবে আর পলিটিক্যাল চিন্তাভাবনা যারা করেন তারা।”

উপদেষ্টা বলেন, “তবে আমরা বদ্ধপরিকর একটা ভালো নির্বাচন দিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে চাই, যারা নির্বাচিত হবেন। এটা সরকারে অঙ্গীকার, আমরা আশা করি আমরা এ অঙ্গীকারে থাকতে পারব।”

‘গণমাধ্যমের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত বিধিমালা পর্যালোচনা’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)। এতে সহযোগিতা করে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের।

অনুষ্ঠানে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে—এই তিন ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিরাট ভূমিকা আছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব, এখনো সময় আছে, আপনারা বসবেন এবং আমার রিকোয়েস্ট হচ্ছে মেক ইট অ্যাজ ট্রান্সপারেন্ট অ্যাজ পসিবল। এটা করতে গিয়ে যদি দুই পা আগাতে হয়, আগান।”

সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন বলছেন যে তারা শতাব্দীর বেস্ট ইলেকশন করবেন। আমরাও চাই আপনি শতাব্দীর বেস্ট ইলেকশন করবেন। কিন্তু আপনি যাদেরকে ব্যবহার করবেন তারা আই (মিডিয়া)। অ্যান্ড আই শুড বি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার।”

ভোটেকেন্দ্রে সাংবাদিকদের নীতিমালা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “ব্যক্তিগত মত হলো, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিতকরণ-এটা বোধ হয় সঠিক হলো না। যখন আমি অ্যাক্রিডেশন দিচ্ছি সাংবাদিকদের আমি ইতিমধ্যেই তাকে অনুমতি দিচ্ছি। এসব সমস্যা অত বড় না, ছোট সমস্যা। ইলেকশন কমিশনের উচিত হবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব নিয়ে আলোচনায় বসা। আমরা একাধিকবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতাম।”

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিজেসির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক, বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী।

সম্পর্কিত